কৃষিমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত কৃষিবিদ ড. অাব্দুর রাজ্জাক এমপি: অানন্দে ভাসছে বাকৃবি

অাবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি:কৃষিমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন কৃষিবিদ ড. অাব্দুর রাজ্জাক এমপি। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাবেক এই শিক্ষার্থীকে কৃষিমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা। কৃৃষিবিদ হিসেবে কৃষির প্রত্যেকটি বিষয়ই তার জানা রয়েছে বলে দাবী এ পরিবারের সদস্যদের। কৃষি প্রধান বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলেও অাশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। এদিকে কৃষিবিদ হিসেবে প্রথমবারের মত কৃষি মন্ত্রালয়ের দায়িত্ব অাসলেন কৃষিবিদ ড. অাব্দুর রাজ্জাক এমপি।

কৃষিমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করায় কৃষিবিদ ড. অাব্দুর রাজ্জাক এমপি তার ফেসবুক পেজে অনুভূতি ব্যক্ত করে লিখেছেন "মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে ডাক পেয়েছি। কৃতজ্ঞ জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি। ধন্যবাদ ও অভিনন্দন ধনবাড়ি-মধুপুর বাসী। দায়িত্ব যেন সঠিকভাবে পালন করতে পারি এই দোয়া চাই সকলের কাছে।"

বাকৃবির ইন্টারডিসিপ্লিনারি ইনস্টিটিউট ফর ফুড সিকিউরিটির (আইআইএফএস) পরিচালক অধ্যাপক ড. এ এস মাহফুজুল বারী বলেন, সত্যিকার অর্থেই অাজ অামাদের গর্ব করার দিন। প্রথমে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ দিতে চাই, কৃষি মন্ত্রালয়ের দায়িত্বে একজন সৎ, যোগ্য, নিষ্ঠাবান কৃষিবিদকে দায়িত্ব দেওয়ায়। তিনি মনে করেন, কৃষিতে অামাদের রয়েছে বিরাট সম্ভাবনা। বাকৃবির সাবেক এই শিক্ষার্থীর হাত ধরে বাংলাদেশের কৃষিতে অামূল পরিবর্তন অাসবে। কৃষিতে যুগান্তকারী সাফল্যের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা দ্রুতই প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে বলেও অাশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক (নৌকা প্রতীকে) ২ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (ধানের শীষ) সরকার সহিদ পেয়েছেন মাত্র ১৬ হাজার ৪০৬ ভোট।

২০০১ সালে প্রথম সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন আব্দুর রাজ্জাক। ২০০৮ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো জয়ী হয়ে সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়সহ একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় তৃতীয় মেয়াদে এমপি হয়ে অর্থমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এবারের নির্বাচনে আড়াই লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে চতুর্থবারের মতো এ আসন থেকে জয়ী হন তিঁনি।

escort beylikduzu izmir escort corum surucu kursu malatya reklam