প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব) ৪র্থ গ্রেড হিসেবে পদোন্নতি পেলেন ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদক: কৃষিভিত্তিক এ দেশে কৃষক তথা কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য ফসলের রোগ, রোগের সনাক্তকরণ ও রোগের দমন ব্যবস্থাপনার নানা বিষয়গুলি তথ্যভিত্তিক লেখনীর মধ্য দিয়ে সেবা দিয়ে চলেছেন বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর মসলা গবেষণা কেন্দ্র, শিবগঞ্জ, বগুড়ার এ বিজ্ঞানী সম্প্রতি প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব) ৪র্থ গ্রেড হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেছেন।

বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা ডাকঘরের অধীন চড়িয়া কালিবাড়ী গ্রামের মরহুম জোনাব আলী খান সাহেব-এর কনিষ্ঠ পুত্র। তিনি ১৯৮১ সালে এস. এস. সি. পরীক্ষা পাশ করেন এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ হতে বি. এসসি. এজি. (অনার্স); এম. এসসি. (এজি.) প্লান্ট প্যাথলজি এবং পিএইচ. ডি. ইন প্লান্ট প্যাথলজি ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি হাবিপ্রবি, দিনাজপুর থেকে "পোস্ট গ্র্যাজুয়েট সার্টিফিকেট কোর্স্ অন সিড টেকনোলজি” সম্পন্ন করেন।

কৃষি বিষয়ক একাধিক বই লিখে সংশ্লিস্ট সকলের মাঝে ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন তিনি। দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকায় তাঁর লেখা পাঠকদের নিকট ব্যাপক সমাদৃত। এগ্রিলাইফ২৪ ডটকমের সম্মানিত পাঠকদের জন্য আজ তুলে ধরা হলো কৃষি ব্যক্তিত্ব বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামানের বর্ণ্যাঢ্য ক্যারিয়ার।

বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান ১৯৯২ সাল থেকে বিভিন্ন ফসলের রোগ, রোগের সনাক্তকরণ ও রোগের দমন ব্যবস্থাপনার উপর কৃতিত্বের সাথে গবেষণা করে আসছেন। তিনি বিভিন্ন ফসলের রোগ, রোগের সনাক্তকরণ, রোগ দমন ব্যবস্থাপনা, রোগের স্কোরিং স্কেল, রোগের পূর্বাভাস, ক্রপ মডেলিং, বুনিয়াদী প্রশিক্ষন, ইনডাকশন ট্রেনিং, অফিস ব্যবস্থাপনা, প্রশাসন ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ও ক্রয় নীতিমালা, গবেষনা পদ্ধতি, নার্সারী ব্যবস্থাপনা, বানিজ্যিকভাবে ফুল উৎপাদন, বীজ প্রযুক্তি, সায়েন্টিফিক রিপোর্ট রাইটিং, ইন্টারনেট, কম্পিউিটার, গ্রাফিক্স, ভিডিও এডিটিং, ডাটা প্রসেসিং, ডাটা এ্যানালাইসিস ইত্যাদি বিষয়ের উপর বিশেষভাবে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত।

বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান ১৩ টি পেশাজীবি সমিতির আজীবন সদস্য। তাঁর উদ্ভাবিত ও বাস্তবায়িত গবেষণা প্রোগ্রামের সংখ্যা ১৫০ টি এবং গবেষণাকৃত কৃতিত্ব/ফলাফল ৭৭ টি।  তিনি মসলা জাতীয় ফসলের বিভিন্ন জাত অবমুক্তির সাথেও জড়িত। তিনি বিভিন্ন জার্নালের সহযোগী সম্পাদক ও পেপার রিভিউয়ারের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন। তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এম. এস., এম. ফিল ও পি-এইচ. ডি. ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ও থিসিস পরীক্ষক। ড. খালেকুজ্জামান অনেক জাতীয় ও আন্ত:র্জাতিক সেমিনার/ওয়ার্কশপ-এ অংশগ্রহন করেছেন ও সায়েন্টিফিক পেপার উপস্থাপন করেছেন। বিভিন্ন টেলিভিশণ চ্যানেলে বিভিন্ন ফসলের রোগ দমন ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য বিষয় সংক্রান্ত তাঁর সাক্ষাৎকার প্রায়শঃই প্রচারিত হয়ে থাকে।

বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান ২০১৫ সালে কৃষি বিয়য়ক লেখার উপর অবদান রাখার জন্য কৃষি সম্মাননা পদক ও ক্রেস্ট প্রাপ্ত হয়েছেন। তাঁর মোট প্রকাশণার সংখ্যা ৪০৪ টি। তার মধ্যে দেশী-বিদেশী ও আন্তর্জাতিক জার্নালে মোট ১৫৬ টি পূর্নাঙ্গ সায়েন্টিফিক পেপার, ২২ টি অ্যাবস্ট্রাক্ট ও ২ টি শর্ট কমিউনিকেশন প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও কৃষিকথা, উর্বরা, কৃষি সওগাত, কৃষি বার্তা, কৃষি প্রযুক্তি, কৃষি বিপ্লবসহ দেশের বিভিন্ন জাতীয়, স্থানীয় ও এগ্রিলাইফ২৪ ডটকমসহ বিভিন্ন অনলাইন পত্র-পত্রিকায় কৃষি বিয়য়ক তাঁর মোট ২০২ টি পপুলার আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর এ পর্যন্ত ৩ টি বুকলেট ও ফোল্ডারও প্রকাশিত হয়েছে।

বিজ্ঞানী ড. খালেকুজ্জামান-এর প্রকাশিত মোট বই-এর সংখ্যা ৯ টি। তার মধ্যে “Performance of storage containers on the seed quality of French bean” ও “Effect of Rhizobium in controlling foot and root rot of French bean” নামক ২ টি বই-এর তিনি প্রধান লেখক যা ল্যামবার্ড একাডেমিক পাবলিশিং, জার্মানী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। ‘‘বাণিজ্যিক ফল বাগান’’, ‘‘বানিজ্যিক ভিত্তিতে সবজির চাষ’’, ”সবজি বীজ উৎপাদনের কলাকৌশল”, ‘‘বসতবাড়ীর আশে-পাশে সবজি ও ফলের চাষ’’, ‘‘বসতবাড়ীর আশে-পাশে মসলার চাষ’’, ‘‘ফুল ও শোভাবর্ধণকারী গাছের চাষ” ও ‘‘বসতবাড়ীর আশে-পাশে নার্সারীর কলাকৌশল’’ নামক ৭ টি বই-এর সহযোগী লেখকও তিনি।

তাঁর মোবাইল নং-০১৯১১-৭৬২৯৭৮ এবং ই-মেইল:This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it.; তাঁর পূর্নাঙ্গ জীবন-বৃত্তান্ত জানতে ভিজিট করুন: www.khalequzzaman.blogspot.com

antalya bayan escort bursa bayan escort adana bayan escort mersin bayan escort mugla bayan escort samsun bayan escort konya bayan escort