নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি-খাদ্যমন্ত্রী

কাজী কামাল হোসেন, নওগাঁ:খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষন্ করেছেন। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা আওয়ামীলীগের নির্বাচনী ইস্তেহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন এই বিষয়টি বাস্তবায়ন করা সরকারের ম্যান্ডেট। সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের এই ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে সর্বাত্মক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সকলকে সহযোগিতা প্রদান করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে সচেতনতার কোন বিকল্প নাই।

জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন বাংলাদেশ খাদ্যে ইতিমধ্যেই স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জন করেছে। এখন আমাদের আন্দোলন নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করত না পারলে সুস্থ্য জাতি গঠন সম্ভব নয়। কাজেই সরকার এ লক্ষ্যে ব্যপক কাজ শুরু করেছে। দেশে ৪৬৫টি কমিটি এই কার্যক্রম তদারক করছে। জেলা পর্যায়ে এমন কি উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের তদারকি অব্যহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন দেশের প্রচুর সংখ্যক মানুষ হোটেল রেষ্টুরেন্টে তাঁদের প্রাত্যহিক খাবার খান। এ কারনে হোটেল রেষ্টুরেন্টেসমূহে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সারাদেশে হোটেল রেষ্টুরেন্টগুলো গ্রেডিং করা হচ্ছে। এগুলোতে পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেছেন সব কিছুই শুরু করার সময় একটু দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকে। তবে শুরু করলে এক সময় এর সুফল পাওয়া যায়। এই সুফল অর্জনে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী, ব্যবসায়ীসহ সকলকে সহযোগিতা প্রদান করার মাধ্যমে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।  

জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে “সুস্থ সবল জাতি চাই, পুষ্টি সম্মত নিরাপদ খাদ্যের বিকল্প নাই” শিরোনামে আয়োজিত আলোচনাসভায় ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোঃ রাশিদুল হক, সিভিল সার্জন ডাঃ মোমিনুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মাহবুবুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ শরিফুল ইসলাম খান, নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির-এর পরিচালক মোঃ আব্দুল খালেক, বিয়াম ল্যাবটেরী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ শরিফুর রহমান, নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিন এবং জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাজী রাকিবুল হাসান বক্তব্য রাখেন।

এর আগে সকাল ৯টায় সদর খাদ্য গুদাম থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। এই র‌্যালীতে নেতৃত্ব দেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। র‌্যালীটি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এসে শেষ হয়। র‌্যালীতে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী, ব্যবসায়ী, শিক্ষ শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী এবং সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

escort izmir