মাছ চাষে সুফল পেতে হলে বৈজ্ঞানিকভাবে মাছ চাষ করতে হবে

বাকৃবি প্রতিনিধি:মাছ চাষে সুফল পেতে হলে বৈজ্ঞানিকভাবে মাছ চাষ করতে হবে। দৈনন্দিন আমিষের ৬০ ভাগ আসে মাছ থেকে। আজ আমরা মাছ চাষে স্বয়ংসম্পর্ণ। মাছের বিভিন্ন রোগের কারণে খামারিদের চাষের প্রায় ১৫ভাগ লোকসানের সম্মুখীন হতে হয়। আমাদের দেশের ৯৫ ভাগ মৎস্য চাষী মাছ চাষের জ্ঞান আহরণ না করেই দেখাদেখি মাছ চাষ করছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আর্থ সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রধান রোগের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এশিয়ান অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচন শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ বক্তারা এসব তথ্য তুলে ধরেন। রবিবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে কৃষকদের তথ্য সহায়তার জন্য ‘চিংড়ি’ নামক একটি অ্যাপসের উদ্বোধন করা হয়।

এই প্রকল্পের অধীনে মাছে সৃষ্ট কার্পের ছত্রাক ঘটিত পচন রোগ এবং চিংড়ির ভাইরাস ঘটিত সাদা দাগ রোগকে গবেষণার অর্ন্তভুক্ত করা হয়। গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতে মাছ এবং চিংড়ি চাষকে পরিবেশ বান্ধব ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে বিষয়ে গবেষণা করা হয়েছে।

বাকৃবি মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো- ভিসি অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন, বিএফআরআইয়ের পরিচালক ড. মো. নুরুল্লাহ। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউকের সাউথাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ক্রিস্টফার হাউটন। কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্পের প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সালাম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রকল্পের আরেক গবেষক অধ্যাপক ড. এম মাহফুজুল হক। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষকবৃন্দ, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ অঞ্চল থেকে খামারিরা অংশগ্রহণ করেন।

antalya bayan escort bursa bayan escort adana bayan escort mersin bayan escort mugla bayan escort samsun bayan escort konya bayan escort