চরের কৃষি প্রকৃতির দান ও খুবই উর্বর-কৃষিবিদ এস. এম. ফেরদৌস

গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে ফজলুপুর ইউনিয়নের খটিয়ামারী চরে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল, তৈল ও মশলা বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্প ফেজ-৩ এর আওতায় মরিচের উপর মাঠ দিবস ও রিভিউ আলোচনা আয়োজন করা হয়। গাইবান্ধা সোমবার (২৯ এপ্রিল) ফুলছড়ি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হুকুম আলীর সভাপতিত্বে মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপপরিচালক কৃষিবিদ এস. এম. ফেরদৌস।

প্রধান অতিথি বলেন, চরের কৃষি প্রকৃতির দান ও খুবই উর্বর। তিনি চরে বিদ্যমান ভুট্টা, বোরো ধান, চিনা বাদাম, মুগ ইত্যাদি ফসল সঠিক দূরত্বে বপন/রোপন, সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ, ফসলের বালাই ব্যবস্থাপনা সঠিক সময়ে সম্পাদন করে ফলন বৃদ্ধি করা সম্ভব। চরে অবস্থানরত কৃষকদের চাহিদা মোতাবেক সব ধরণের কৃষি প্রযুক্তিগত সহায়তা নিশ্চিত করা হবে এবং চরের কৃষকদের উপজেলাতে যাওয়ারও দরকার হবে না বলে কৃষিবিদ ফেরদৌস মত প্রকাশ করেন।

অন্যান্যদের মধ্যে অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) কৃষিবিদ মোঃ আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ আসাদুজ্জামান, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মিজানুর রহমান এবং মরিচ প্রদর্শনী কৃষক সফের আলী। কৃষক সফের আলী স্থানীয় উন্নত জাত ব্যবহার করে এক একর জমিতে ১৪৪০ কেজি মরিচ (শুকনা) পেয়েছেন এবং ১৬০ কেজি মরিচ বীজ হিসেবে সংরক্ষণ করেছেন। এক একর মরিচ চাষে সফের আলী পনের হাজার টাকা ব্যয় করেছেন এবং বর্তমান বাজার মূল্যে এক লক্ষ সাতাশি হাজার টাকায় সমুদয় মরিচ বিক্রয় করতে পারবেন বলে কৃষক সফের আলী আশাবাদী।

উল্লেখ্য, ফজলুপুর বাজারে ৪০ কেজি শুকনা মরিচের বিক্রয় মূল্য পাঁচ হাজার দুইশত টাকা বলে জানা গেছে। মাঠ দিবসে দুইশতের অধিক কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন। মাঠ দিবসে যোগদানের আগে কৃষিবিদ ফেরদৌস খাটিয়ামারী চরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত সমন্বিত কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশিচতকরণ প্রকল্পের কৃষক প্রশিক্ষণ পর্যবেক্ষণ, রাজস্ব অর্থায়নে স্থাপিত ভুট্টা, চিনা বাদাম, মুগ ও বেগুন প্রদর্শনী ক্ষেত পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।  

escort izmir