উদ্বোধনী দিন থেকেই জমে উঠেছে উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি প্রদর্শনী

রাজধানী প্রতিবেদক:উদ্বোধনী দিন থেকেই জমে উঠেছে উপমহাদেশের পোল্ট্রি খাতের সবচেয়ে বড় আয়োজন-১১তম আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো-২০১৯। রাজধানী বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে শুরু হয়েছে এ আসর। পোল্ট্রিখামারী থেকে শুরু করে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের পদভারে মুখর হয়ে উঠে মেলা প্রাঙ্গণ। বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) তিনদিন ব্যাপি এই মেলার শুভ উদ্ধোধন করেন কৃষি মন্ত্রী ড.মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, এম.পি। মেলার প্রত্যেকটি স্টলেই আগত দর্শনার্থিদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। উৎসবমূখর পরিবেশে তারা মেলা উপভোগ করছেন।

যশোর থেকে ঘুরতে আসা পোল্ট্রি খামারি জাহিদুল ইসলাম জানান, দেশের পোল্ট্রি সেক্টর আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এতদূর এগিয়ে গেছে দেখে তার অনেক ভালো লাগছে। মেলায় না আসলে তিনি প্রযুক্তির দিক দিয়ে পোল্ট্রি সেক্টর কতদূর এগিয়ে গেছে তিনি জানতেই পারতেন না। কুমিল্লার খামারী এমদাদ জানালেন এখান থেকে প্রযুক্তি নিয়ে তিনি খামারটির আরো আধুনিকায়ন করতে চান। তিনি বলেন“আমি গত তিন দশক ধরে পোল্ট্রি ব্যবসার সাথে জড়িত। তবে মেলায় আসায় প্রযুক্তিগত ভাবে কিভাবে পোল্ট্রি সেক্টরে উন্নতি করা যায় তা সম্পর্কে অনেক জানতে পেরেছি”। তাছাড়া আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে পেরে এবং শিখে পোল্ট্রি ব্যবসায় আরো লাভজনক অবস্থায় পৌঁছাতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীর সাথে কথা বললে তারা বলেন, “পড়াশোনার জ্ঞানের পাশাপাশি এ মেলা থেকে পোল্ট্রি সেক্টর সম্পর্কে আমরা অনেক বাস্তবিক জ্ঞান অর্জন করতে পারছি। যা আমাদেরর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে অনেক কাজে আসবে”।

উল্লেখ্য, দেশী-বিদেশী মিলে এবারের মেলায় বিশ্বের ২২টি দেশের প্রায় নামীদামি পাঁচ শতাধিক কোম্পানী অংশগ্রহণ করছে।আজ শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় দর্শক সমাগম আরো বাড়বে বলে আশা করছেন আয়োজকরা। তিনদিনব্যাপি মেলার আজ ৮ মার্চ ২য় দিন। সকাল ৯ টা থেকে শুরু হওয়া এ মেলা প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭ টায় শেষ হবে। মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

escort izmir