আগাতা সুপার ফ্লোটিং মাইক্রো ফিড; মৎস্য খামারীদের কাছে আস্থার এক নাম

বিশেষ প্রতিবেদক, এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম::আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন আগাতা ফিড মিলস্ এর উৎপাদিত সুপার ফ্লোটিং মাইক্রো ফিড দেশের মৎস্য খামারীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছে। মূলত: গুণগতমান, সঠিক সময়ে সরবরাহ ও সুলভমূল্যের কারণে দেশের মৎস্য খামারীদের কাছে এর চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় মৎস্য খামারীদের সাথে কথা বলে জানা যায় আগাতা সুপার ফ্লোটিং মাইক্রো ফিড তাদের খামারে ব্যবহার করে এখন অনেক লাভবান হচ্ছেন মৎস্য খামারীরা। তাছাড়া আামদানিকৃত সুপার ফ্লোটিং মাইক্রো ফিডের চেয়ে অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে আগাতার ফিডটি দোরগোড়ায় পাওয়ায় সব দিক দিয়েই উপকৃত হচ্ছেন তারা।

এ প্রসঙ্গে আগাতা ফিডের ডিরেক্টর ডা. দেবাংশু বিকাশ ভৌমিক বলেন ২০১৪ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে আজকের এ অবস্থানে আগাতার আসতে পারার অন্যতম কারণ পণ্যের গুণগতমানের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। খামারীরা কিভাবে লাভবান হবে? কিভাবে নিরাপদ প্রানিজ আমিষের সরবরাহ করে মেধাবী জাতি হিসেবে দেশ এগিয়ে যাবে সেটি তাদের মূল লক্ষ বলে জানান ডা. দেবাংশু বিকাশ ভৌমিক।

সেদিক দিকে লক্ষ রেখে আন্তর্জাতিকমানের মেশিনারিজের মাধমে সেরা নিউট্রিশনিষ্ট এবং সর্বোৎকৃষ্ট উৎস থেকে সংগৃহীত কাঁচামাল দিয়ে তাদের উৎপাদিত সুপার ফ্লোটিং মাইক্রো ফিড খামারীদের কাছে এখন আস্থার প্রতীক। তাদের উৎপাদিত এনজাইম কোডেট ফিড বাংলাদেশে আগাতাই প্রথম নিয়ে এসেছে বলে দাবি করেন ডা. দেবাংশু বিকাশ ভৌমিক। এছাড়া আমদানিকৃত সুপার ফ্লোটিং মাইক্রো ফিডের চেয়ে আগাতার ফিড ব্যবহারে খামারীদের প্রতি কেজিতে ১৮-২০ টাকা সাশ্রয়ী হচ্ছে।

তিনি বলেন এনজাইম কোটেড ফিড ব্যবহারে মাছের পরিপাক শক্তি বাড়বে। ফলে খাবারের অপচয় কম হবে। এছাড়া পুকুরের পরিবেশ তুলনামূলক ভালো থাকবে। এর ফলে রোগ-বালাইয়ের প্রকোপ কমে যাবে ফলে ঔষধের ব্যবহার কমে আসবে। ব্যয় কমার পাশাপাশি মাছের উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করবে আগাতা সুপার ফ্লোটিং মাইক্রো ফিড। এর একটি অন্যতম বৈশিষ্ট হচ্ছে এ ফিড ব্যবহারে মাছ চাষের সময়কাল প্রায় ১৫ দিন কম লাগছে। ফলে খামারীরা অল্প সময়ে বাজারজাত করে পরবর্ত্তী চাষের প্রস্তুতি নিতে পারছেন।

তেলাপিয়া, পাবদা, গোলশা, দেশী মাগুর, শিং, কৈ সহ অন্যান্য মাছের পোনায় (ফ্রাই) আগাতা ফিড মিলস্ এর উৎপাদিত সুপার ফ্লোটিং মাইক্রো ফিড সফলভাবে ব্যবহার করছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মৎস্য খামারীরা। মৎস্যসহ সকল খামারীদের মাঝে সর্বোচ্চমানের সেবা দিতে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান ডা. দেবাংশু বিকাশ ভৌমিক। মানুষের কর্ম সংস্থানের জন্য প্রয়োজন শিল্পায়ন আর শিল্পায়নের মধ্যে দিয়ে কৃষিভিত্তিক এ দেশেকৃষি অর্থনীতির চাকাকে আরো সচল করতে চায় আাগাতা ফিড মিলস্ এমনটাই প্রত্যশা আগাতা ফিড মিলস্ কর্তৃপক্ষের।

antalya bayan escort bursa bayan escort adana bayan escort mersin bayan escort mugla bayan escort samsun bayan escort konya bayan escort