বাকৃবি ক্যাম্পাস মাতালো পদচিহ্ন

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি:শুক্রবার। সন্ধ্যা ৬ টা। অনুষ্ঠান শুরুর আগেই প্রায় আড়াই হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পরিপূর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) সাংস্কৃতিক সংগঠন পদচিহ্নের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ২০ তম পর্ব অনুষ্ঠিত হবে বলেই সকলের আগে থেকে মিলানায়তনে আসা।

সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শুরুতেই ভাষা শহীদদের উৎসর্গ করে তুলে ধরা হয় একটি ভিন্নধর্মী পরিবেশনা। এরপর পদচিহ্নের সদস্যরা বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া লোকসংগীতগুলো তুলে ধরে। এছাড়াও বিখ্যাত সিনেমা টাইটানিকের আদলে মঞ্চায়িত হয় রম্যরসাত্মক নাটক ‘বাংলার টাইটানিক’। এতে অভিনয় করে নেহাল, শাকিল, অনিক, সোহানসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল ‘রেসলিং শো’। ভিন্নধর্মী এই রেসলিং শো দ্বিতীয়বারের মত বাকৃবির মঞ্চে উপস্থাপন করল পদচিহ্ন। ইমন, দুর্জয়, সায়েম, সোহান ও আকিবের অসাধারণ অভিনয়ে উপস্থাপিত হয় ওই রেসলিং শো। একে একে দলীয় নৃত্য, গান, স্যাডো ডান্স, খন্ডনাটক দিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রাখা হয় অনুষ্ঠানের পুরো সময় জুড়ে। এছাড়াও একটি খন্ডনাটকের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নানা অসংগতি ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা হয়। এসময় সড়কে চলাচল নিয়ে একটি মুকাভিনয় উপস্থাপিত হয়।

সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. নাছরীন সুলতানা জুয়েনার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুস্ময় ভৌমিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. আজহারুল হক, সংগঠনটির সহ-সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হামিদুল ইসলাম, বিনোদন সংঘের সভাপতি ড. মো. কামরুজ্জামান, বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সবুজ কাজী, সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ রুবেল এবং পদচিহ্নের সহ সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান কামুসহ পদচিহ্নের প্রাক্তন সদস্যরা।

উল্লেখ, ১৯৯৮ সালের ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় পদচিহ্ন। বর্তমানে সংগঠনটির সদস্যের সংখ্যা প্রায় শতাধিক।

escort izmir