সিকৃবির সড়কে ভোগান্তির অন্ত নেই

রায়হানুল নবী, সিকৃবি:বাংলাদেশের কৃষি শিক্ষার অন্যতম বিদ্যাপিঠ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের( সিকৃবি) দ্বিতীয় (২য়) ফটকের প্রধান সড়কের বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়ছে। বর্ষাকাল আসতে না আসতেই সড়কের অবস্হা নিদারুন করুণ। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তিন থেকে চার হাজার শিক্ষার্থী।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সিলেট সদরের টিলাগড়স্থ বালুচর নয়াবাজারে অবস্থিত। পাশেই সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। এই দুইটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তিন থেকে চার হাজার ছাত্র-ছাত্রীদের একমাত্র চলাচলের রাস্তা বালুচর বাজার থেকে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের এই সড়কটি। টিলাগড় থেকে আলুরতল রাস্তাটি থাকলেও তেমন একটা যানবাহন না চলার কারনে ব্যবহার করতে হয় বালুচর বাজারের এই সড়ক।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটি সংস্কারের উদ্দেশ্যে বালু ফেলে সম্পূর্ণ রাস্তাটি ভরাট করে ফেলা হয়ছে। এতে রাস্তার দুইপাশের ড্রেন বন্ধ হয়ে পানি চলাচল করছে রাস্তার উপর দিয়ে। এতে সৃষ্টি হচ্ছে কাদার। আবার মাঝে মাঝে বৃষ্টির পানিতে সৃষ্টি হচ্ছে কাদার। ফলে কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। এতে রাস্তাটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ক্যাম্পাসের ব্যস্ততম এই সড়কটির এ অবস্হার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে এই রাস্তায় চলাচলকারী স্হানীয় লোকজন ও ছাত্র ছাত্রীরা। রাস্তাটি সংস্কারের জন্য দুই মাস আগে প্রজেক্ট পাশ হলেও শুধু মাত্র বালু ফেলা ছাড়া কাজের কোন অগ্রগতি নেই। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।

সিকৃবি'র তৃতীয় (৩য়) বর্ষের শিক্ষার্থী হৃদয় বলেন, রাস্তাটিতে বালু রেখে ড্রেন বন্ধ করে ফেলায় ড্রেনের পানি প্রবাহিত হতে পড়ছে না এতে সব সময় কাদা আর পানি থাকে রাস্তার উপর। এতে চলাচল করা খুবই কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়েছে। রাস্তা দিয়ে চলতে গেলেই গায়ে কাদা এবং ময়লা পানি লেগে যায়। চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী বিজলী জানান, রাস্তায় বালি রাখার ফলে কোন যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। ফলে আমাদের কাদা পানি মারিয়েই আমাদের চলাচল করতে হচ্ছে।

রাস্তাটির ঠিকাদার মুক্তার সাহেবের সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, নির্বাচন এর কারনে কাজ বন্ধ ছিল, খুব দ্রুত কাজ শেষ করা হবে। সম্পূর্ন কাজ শেষ করতে আরো এক থেকে দেড় মাস সময় লাগবে।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস বিভাগের পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সাইফুদ্দিনের সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তিনি জানান রাস্তার অবস্থা বেহাল কিন্তু রাস্তাটি ক্যাম্পাসের না হওয়ায় তিনি কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পারছেন না। সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হওয়ায় কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না প্রোজেক্টটির মেয়াদকাল এক বছর, খুব দ্রুত বালু অপসারণ করা হবে। কাজ শেষ করার জন্য সময় প্রয়োজন। নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করা হবে।

escort izmir