আবুল বাশার মিরাজ:কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে কৃষির অন্যতম একটি খাত হচ্ছে প্রাণিসম্পদ। দেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের (জিডিপির) প্রায় ৩ শতাংশের জোগান দিচ্ছে প্রাণিসম্পদ খাত, যার বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ৬ শতাংশ। গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন এবং প্রজনন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ। গত কয়েক বছরে মাংস, দুধ ও ডিম উৎপাদনে সফলতাও আসছে।

বাকৃবি প্রতিনিধি:গমের ব্লাস্ট রোগ দমন ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় গমের ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবনে সম্ভাবনা রয়েছে। বীজ রেডিয়েশন প্রয়োগের মাধ্যমে এই গবেষণা সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন গবেষণা প্রকল্পের প্রধান ড. বাহাদুর মিয়া।

নজরুল ইসলাম তোফা:: সৃষ্টিশীল যা কিছু দৃশ্যমান, তার সবকিছুই প্রবহমান। আর এই চলমানতাই যেন জীবনের বৈশিষ্ট্য। মানুষ একদিনেই কোনো কাজের সফলতা কিংবা দক্ষতা অর্জন করতে পারেনা। তাই তাদের 'দক্ষতা' লাভের পেছনেই রয়েছে দীর্ঘ দিনের অভ্যাস আর অনুশীলন। 'পরিশ্রম এবং উদ্যম' ছাড়া কোনো কাজে সফলতা লাভ করা যায় না। "বিজ্ঞানী নিউটন" বলেন, ''আমার আবিষ্কারের কারণ প্রতিভা নয়, বহু বছরের নিরবচ্ছিন্ন সাধনা ও পরিশ্রম।" তাই সাধারণ মানুষ পরিশ্রম আর সাধনা দ্বারা যুগেযুগেই আবহমান বাংলায় 'সঙ্গীত' সাধকরাই যেন 'গানচর্চা' করে আসছে।

কৃষিবিদ কামরুল হাসান কামু:মানুষের ৫ টি মৌলিক চাহিদার মধ্যে খাদ্যের পরই বস্ত্রের স্থান। এ গুরুত্ববহ শিল্পে, বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয় অবস্থানে। রপ্তানিমুখী এই শিল্পকে নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বর্তমান অবস্থায় আসতে হয়েছে। মূলত ষাটের দশকে যাত্রা শুরু হলেও সত্তরের দশকের শেষ দিকে রপ্তানীমুখী শিল্পের মর্যাদা লাভ করে। এ শিল্পের উন্নয়নের ঊর্ধ্বমুখী স্রোতের ফলে বর্তমানে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় রপ্তানিমুখী শিল্পখাত।

কৃষিবিদ এম আব্দুল মোমিন:প্লাস্টিকের চাল এবং নকল ডিম নিয়ে  ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইদানীং বেশ সরগরম। অনেকে ফেসবুক বা ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়া এসব ভিডিও দেখে বলছেন, এত দিন বিশ্বাস না করলেও নিজের চোখে যা দেখলাম তা অবিশ্বাস করি কেমন করে? হ্যাঁ আপনি যা দেখেছেন তা বাস্তব সম্মত নয়, যেমন বাস্তবসম্মত নয় কাল্পনিক সিনেমার অনেক দৃশ্য! নিতান্ত অপ্রচারের উদ্দেশ্যে তৈরি এসব চটকদার ভিডিও এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যাতে সাধারণ মানুষ অনায়াসে তা বিশ্বাস করে।

কৃষিবিদ মো. আবু সায়েম:ভাল ফলনের জন্য সুষম সারের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। সার প্রয়োগ করতে দুটি বিষয়ের প্রতি বিশেষ নজর রাখা দরকার। প্রথমত, ধানের জাত, জীবনকাল ও ফলন মাত্রার ওপর ভিত্তি করে সারের মাত্রা ঠিক করা। দ্বিতীয়ত, সারের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য কোন সার কখন ও কিভাবে প্রয়োগ করতে হবে তা নির্ধারণ করা। সার ব্যবহার করে অধিক উৎপাদন ও আর্থিকভাবে লাভবান হওয়াই সকলের কাম্য।

antalya bayan escort bursa bayan escort adana bayan escort mersin bayan escort mugla bayan escort samsun bayan escort konya bayan escort