ইসলামিক ডেস্ক:আজ শুক্রবার হিজরী বর্ষের রজব মাসের ১৫ তারিখ। এ মাসের সঙ্গে ইসলামের অতীত ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে। হজরত রাসূল (সা.) রজব মাসে আকাশ পানে মেরাজে গমন করেছিলেন। হজরত নূহ (আ.) মহাপ্লাবনের আশঙ্কায় রজব মাসেই কিস্তিতে আরোহণ করেছিলেন। হজরত রাসূলের (সা.) কাছে রজব মাসেই প্রথম ওহি আসে। এ ছাড়া রজব হলো জান্নাতের তলদেশ প্রবাহিত একটি নদীর নাম। এ নদীর পানি দুধের মতো ধবধবে সাদা এবং মধুর চেয়েও মিষ্টি। যারা রজব মাসে নফল রোজা রাখবে আল্লাহতায়ালা আখেরাতে ওইসব রোজাদারকে রজব নদীর পানি দ্বারা আপ্যায়ন করবেন। সুমিষ্ট রজব নদীর পানি বরফের চেয়ে শীতল। যারা একবার রজব নদীর পানি পান করবে, তাদের আর কোনোদিন পানির পিপাসা লাগবে না।

ইসলামিক ডেস্ক:পরিবেশ সংরক্ষণে মানুষের সর্বপ্রধান দায়িত্ব হলো, দূষণের যথার্থ কারণ চিহ্নিত করে তা রোধকল্পে কার্যকরী ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা। আমাদের চারিপাশে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বায়ু, পানি, বৃক্ষরাজি ও পাহাড়-পর্বত ইত্যাদি। তবে শিল্পায়ন ও নগরায়ণের আড়ালে প্রাকৃতিক পরিবেশ তুলনামূলক নষ্ট করছে বেশি। শিল্পায়নের যুগে কল-কারখানার নির্গত কালো ধোঁয়া একদিকে যেমন বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বাড়িয়ে জীবনকে করে তুলছে দুর্বিষহ। অন্যদিকে কতেক কল-কারখানার নির্গত শিল্পবর্জ্য পানিতে মিশে পানিকে করছে দূষিত, যা মানুষের স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও মৎস্য প্রজাতির জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।

ইসলামিক ডেস্ক:পিতা-মাতা অক্লান্ত পরিশ্রম করে আদরের সন্তানকে মানুষ করেন। কাজেই তাদের হক আদায় করা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। অথচ বর্তমানে সমাজে অনেক সময় দেখা যায় সন্তানেরা বড় হয়ে বাবা-মার কস্টের কথা ভুলে যায়। এত কষ্ট করার পর সন্তান বড় হয়ে যদি পিতা-মাতার অবাধ্য হয়, পিতা-মাতাকে কষ্ট দেয় তাহলে তাদের দুঃখের অন্ত থাকে না।

ইসলামিক ডেস্ক:বাংলাদেশের আকাশে  ৭ মার্চ বৃহস্পতিবার কোথাও ১৪৪০ হিজরি সনের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সংবাদ পাওয়া যায়নি। ফলে আগামীকাল ৮ মার্চ  শুক্রবার পবিত্র জামাদিয়াস-সানি মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং ৯ মার্চ শনিবার থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে। প্রেক্ষিতে, আগামী ২৬ রজব ১৪৪০ হিজরি (৩ এপ্রিল) বুধবার দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ পালিত হবে।

ইসলামিক ডেস্ক:ক্ষমা, দয়ামায়া, ও উদারতা মহান আল্লাহ তাআলার অন্যতম গুণ। এ কারণে মুমিন মুসলমানরা সর্বক্ষেত্রে ক্ষমা ও উদারতা প্রদর্শন করে থাকেন। এসব গুণাবলীতে বলীয়ান ছিলেন আমাদের প্রিয় বিশ্বনবী হযরত রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। মক্কা বিজয়ের পর তিনি অপরাধীদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আজ তোমাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই।’ অথচ তাদের চরম অত্যাচার নির্যাতনে তাঁর সঙ্গী-সাথীসহ জীবন বাঁচাতে আল্লাহর নির্দেশে তিনি পবিত্র নগরী মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছিলেন।

ইসলামিক ডেস্ক:ইসলামে আমানতের গুরুত্ব অত্যধিক। আমানতের খিয়ানত করা কবিরা গুনাহ ও মুনাফিকের পরিচায়ক, আর আমানত রক্ষা করা ঈমানদারের পরিচায়ক।মুমিনের কাছে সর্বাপেক্ষা উত্তম সম্পদ হলো আমানতদারিতা। তাই মুমিন আমানতদারিতা রক্ষা করতে সদা সচেষ্ট থাকে। আমানতদারিতা এমন এক মহৎ গুণ যার ওপর জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধি নির্ভরশীল।

escort beylikduzu izmir escort corum surucu kursu malatya reklam