ক্ষমা ও সহনশীলতা মহৎ গুণ

ইসলামিক ডেস্ক:ক্ষমা ও সহনশীলতার কথায ইসলামে বারবার বলা হয়েছে। মহান রাব্বুল আলামিনেরর ক্ষমা পেতে হলে তাঁর বান্দাকে ক্ষমা করতে হবে। ক্ষমা ও সহনশীলতার যে অনুপম দৃষ্টান্ত রাসূল সা: স্থাপন করে গেছেন তা আবহমানকাল ধরে ইসলামী দুনিয়াকে অনুপ্রেরণা জোগাবে।

উহুদ যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মুখমণ্ডল আঘাতপ্রাপ্ত হলো, কয়েকটি দাঁত ভেঙে গেলো, মাথায় পরিধেয় শিরস্তান খণ্ড-বিখণ্ড হলো, তার পরও তিনি কুরাইশদের বিরুদ্ধে বদদোয়া করেননি। বরং তিনি বলেছেন, হে আল্লাহ! আমার জাতিকে ক্ষমা করো, কেননা তারা জানে না। -সহিহ মুসলিম

সহনশীলতায় ও ক্রোধ সংবরণে রাসূলুল্লাহ (সা.) ছিলেন সবোর্চ্চ আদর্শ। কখনও তার পক্ষ হতে মন্দ কথন ও কর্ম প্রকাশ পায়নি, নির্যাতন-অবিচারের শিকার হলেও কখনও প্রতিশোধ নেননি। কখনও কাউকে প্রহার করেননি।

বস্তুত প্রতিশোধ নেওয়ার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সীমালংঘনকারীকে মার্জনা করা একটি উদারণ ও মহৎগুণ। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এ গুণে সর্বাপেক্ষা গুণান্বিত ছিলেন।

দুনিয়া ও পরকালে আল্লাহর রহমত আর ক্ষমা পেতে হলে দুনিয়াতে অপরকে ক্ষমা করা, অপরের প্রতি দয়া-ইহসানের মানসিকতা থাকতে হবে। তখন মানুষ ইনসাফভিত্তিক একটি সুষ্ঠু-সুন্দর সমাজ উপহার পাওয়া যাবে। আসুন আমরা সকলে মিলে সুন্দর একটি সমাজ গড়ি যেখানে ধনী-গরীব, মালিক-শ্রমিক, জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শান্তিতে থাকবে।। মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে সহনশল ও বিনয়ী হয়ে চলার তাওফিক দিন-আমিন।

antalya bayan escort bursa bayan escort adana bayan escort mersin bayan escort mugla bayan escort samsun bayan escort konya bayan escort