শাবান মাসে নফল রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ

ইসলামিক ডেস্ক: আজ শুক্রবার (৫ শাবান) সামনে অপেক্ষা করছে সর্বশ্রেষ্ঠ মাস রমজান। রমজানের আগাম প্রস্তুতির তাগাদা নিয়ে মহিমান্বিত শাবান ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা ইবাদত বন্দেগীতে ব্যস্ত থাকেন। এ মাসে রয়েছে পব্রিত্র লাইলাতুল বরাত। শাবান মাসটিও বিভিন্ন বিবেচনায় গুরুত্ব ও তাৎপর্যপূর্ণ। শাবান মাস পবিত্র রমজানের প্রস্তুতি পর্ব।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) শাবান মাস থেকেই রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। রজব ও শাবানে তিনি রমজানের অধীর অপেক্ষায় থাকতেন। রমজানের আগমনের জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকতেন। হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, হজরত রসুল (সা.) শাবান মাসের (দিন তারিখের হিসাবের) প্রতি এত অধিক লক্ষ্য রাখতেন যা অন্য মাসের ক্ষেত্রে রাখতেন না। (আবু দাউদ ১/২১৮)। উম্মতকেও তিনি শাবান মাসের দিন তারিখের হিসাব রাখার গুরুত্বারোপ করেছেন। এ মাসে অধিক হারে নফল রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। শাবান মাসের অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি রাত হচ্ছে শবে বরাত। হাদিসে এ রাতের ফজিলতের বিস্তারিত আলোচনা এসেছে।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) ইরশাদ করেন, পনের শাবান রাতে (শবে বরাত) তোমরা জেগে থেকে ইবাদত কর। আর পরদিন রোজা রাখ। (মিশতাক ১১৫)। হাদিসে আছে হজরত মুহাম্মদ (সা.) প্রতি (আরবি) মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ এই তিন দিন রোজা রাখতেন। সে হিসাবে শবে বরাতের আগের দিন পরের দিন এবং এর পরের দিন মোট তিন দিন নফল রোজা রাখার বিশেষ ফজিলত রয়েছে।

আসুন আমরা পবিত্র মাহে রমজানের প্রস্তুতি নেই। যাতে রমজানের কাঙ্ক্ষিত ফজিলত লাভে আমরা ধন্য হতে পারি।

escort izmir