"পোল্ট্রি শিল্প: সংকট ও সম্ভাবনা"-ডিবিসি নিউজের সময়োপোযোগী সংলাপ

"পোল্ট্রি শিল্প: সংকট ও সম্ভাবনা"-ডিবিসি নিউজের সময়োপোযোগী সংলাপ

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্প অন্যতম একটি বিকাশমান খাত। এ খাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার উপর বিনিয়োগ হয়েছে। প্রতিবছর র্টাণওভারের পরিমান ৩৫-৪০ হাজার কোটি টাকার মতো। গ্রাম পর্যায় র্পযন্ত বিস্তৃত এই খাতটি দেশর অন্যতম কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা করছে। দেশের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরনেও গুরুত্বর্পুণ অবদান রাখছে পোল্ট্রি খাত।

কিন্তু বিগত কিছুদিন যাবৎ সম্ভাবনাময় পোল্ট্রি খাতটি নানা সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। একদিকে পোল্ট্রি ফিডের দাম বেড়েছে। আবার কমে গেছে মুরগী ও ডিমের দামও। কিন্তু সব ক্ষেত্রে আবার তার সুফল পাচ্ছেন না ভোক্তারা। একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ছোট খামার, যা কর্মসংস্থানে গুরুত্বর্পুণ ভূমিকা রাখতো। আবার যারা বৃহৎ আকারে পোল্ট্রি খাদ্যের কারখানা করেছেন, করেছেন বড় খামার, নানা ধরনের কর এবং ব্যাংক ঋণের ক্ষেত্র বৈষম্যের কারনে তারাও এর বিকাশ ঘটাতে পারছেন না।

আর এসব বিষয় নিয়েই "পোল্ট্রি শিল্প: সংকট ও সম্ভাবনা"-শীষর্ক এক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করেছিল ডিবিসি নিউজ। সোমবার ১৪ মে বিকেলে গুলশানের স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে আলোচনার টেবিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মি: নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এম.পি।

অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ও ডিবিসি নিউজের চেয়ারম্যান জনাব ইকবাল সোবহান চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের অন্যতম বৃহত্তম খাত হলো এ পোল্ট্রি শিল্প। প্রাণিজ আমিষের বৃহৎ যোগাানদাতা হিসেবে পোলট্রি শিল্পের ওপর আরোপিত ভ্যাট ট্যাক্স মওকুফ করা জরুরি। তাই আজকের আলোচনাটি বর্তমান প্রেক্সাপটে অত্যন্ত গুরুত্ববহ।

এরপর আলোচনা টেবিলে সঞ্চালকের ভূমিকায় থাকা ডিবিসি নিউজের সম্পাদক প্রণব সাহা, রশিদ কৃষি খামারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লে. জেনারেল (অব.) হারুনুর রশিদ কে বক্তব্য প্রদানের আমন্ত্রণ জানান। আলোচনায় অংশ নিয়ে সাবেক এ সেনাপ্রধান বলেন বর্তমান সময়ে পোল্ট্রি শিল্প উদ্যোক্তাদের একটি অসম প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে তিনি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের স্বল্প সুদে বিনিয়োগের সুযোগের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়া বাজারে বড় বড় উৎপাদনকারীদের সাথে সবসময় অসম প্রতিযোগিতার মোকাবেলা করতে হয় যার ফলে সব সময় পোল্ট্রি বাজারে অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করে। তিনি এ সেক্টরে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবলের অপ্রতুলতার কথাও তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রিয় মোহন দাস বলেন প্রত্যেকটি হ্যাচারীর একটি নিজস্ব ল্যাব থাকা প্রয়োজন। তাদের নিজস্ব কাস্টমারদের জন্য ভালোমানের সার্ভিস যেন তারা প্রদান করতে পারেন। উপজেলা পর্যায়ে দেখা যায় একই ব্যবসায়ী ফিড, চিকস, ভিটামিন-প্রিমিক্স ঔষধ ব্যবসায়ের সাথে জড়িত যেটি কোনক্রমেই কাম্য নয়। একই ব্যক্তি এসব পরিচালনা করলেও তাকে আলাদা আলাদা স্থানে এসব পরিচালনা করা প্রয়োজন।। বিষয়গুলি রেগুলেশনের আওতায় নিয়ে আসার কা বলেন তিনি।

আলোচনা টেবিলে ইয়ন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোমিন উদ দৌলা বলেন সংকট সবসময় থাকবে তবে এ শিল্পে সম্ভাবনাও রয়েছে ব্যাপক। দেশে বর্তমানে যে পরিমাণ ডিম ও ব্রয়লার কঞ্জাম্পশন হচ্ছে তার পরিমাণ আরো বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এজন্য প্রাইভেট সেক্টরে পোল্ট্রি প্রসেসিংকে প্রমোশন করা জরুরী; আর এ কাজটি সরকারী পর্যায় থেকে করলে ভালো হবে। খাদ্য নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্যের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরী বলে মন্তব্য করেন তিনি। পোল্ট্রি প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিকে প্রমোশন করার পাশাপাশি ভোক্তাদের নিকট পোল্ট্রির নানা রকম সুস্বাদু ও বৈচিত্র্যময় স্বাদ উপস্থাপনের কথা তুলে ধরেন। এক্সপোর্ট এর জন্য তিনি সরকারী প্রনোদনার কথা উল্লেখ করেন।

WPSA-BB এর সভাপতি ও নারিশ পোল্ট্রির পরিচালক জনাব শামসুল আরেফিন খালেদ বলেন বাংলাদেশ একটি অপার সম্ভাবনার দেশ। পোল্ট্রি সেক্টরে সম্ভাবনাও রয়েছে ব্যাপক। দেশের গ্রামীন অর্থনীতির চাকাকে বেশী করে সচল রাখতে হলে দেশে এ সেক্টরের বিকল্প নেই। সেক্ষেত্রে প্রান্তিক খামারীদেরকে প্রমোশন করা প্রয়োজন এবং এটি করতে হলে প্রথমেই উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি ফুড সেফটির কথা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। এজন্য প্রান্তিক খামারীদের সমস্যাগুলিকে চিহ্নিত করে সেগুলি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে হবে। ক্ষুদ্র ও বড় উদ্যোক্তাদের মাঝে একটি উইন উইন সিচুয়েশন তৈরী করা জরুরি বলে মন্তব্য করেন বৃহৎ এ উদ্যোক্তা।

WPSA-BB সভাপতি বলেন বর্তমান সময়ে এ সেক্টরে যে পরিমান ট্যাক্স আরোপিত হয়েছে তাতে উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনা করা দুরূহ হয়ে পড়েছে। এন্টিবায়োটিক ফ্রি ফিড উৎপাদন করতে কেজি প্রতি ১.০০-১.৫০ টাকা অধিক ব্যয় করতে হচ্ছে। আবার অন্যদিকে কাঁচামালের ট্যাক্স বৃদ্ধি, পরিবহন খাতে প্রতিকূলতা সব মিলিয়ে তারা একরকম দিশেহারা। কাজেই এধরনের আলোচনা কেবল টেবিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সংশ্লিস্টদের মাঝে জোরালোভাবে উপস্থাপিত হতে হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামছুল আলম বলেন পোল্ট্রি দেশে এখন একটি পরিণত শিল্পে পরিণত হয়েছে। ৮০-এর দশকের ১৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ এখন ৫০ হাজার কোটি টাকায় এসে দাড়িয়েছে। তাছাড়া প্রাণিজ আমিষের সবচেয়ে বড় যোগানদার লো এই সেক্টর। তবে এ আমিষের ভোক্তা পর্যায়ের চাহিদা সৃষ্টি করতে তেমন উদ্যোগ পরিলক্ষিত হয় না। চাহিদা সৃষ্টির জন্য প্রচারনা বৃদ্ধি করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ড. শামছুল আলম বলেন বাজার অর্থনীতিতে পণ্যের দামের বাড়ানো-কমানোর ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা কম। তাই প্রাইভেট সেক্টরকেই এ ব্যাপারে গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ বাজারে চাহিদা এবং সরবরাহের ভিত্তিতে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ হয়ে থাকে। পোল্ট্রি উৎপাদনের জন্য একটি বিশেষ সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকার কথা বলেন তিনি। বাজারে ডিম ও ব্রয়লার মাংস এত সস্তায় পাওয়া গেলেও ভোক্তা পর্যায়ে সরকারীভাবে মিডিয়ার মাধ্যমে নিয়মিত প্রচারনার করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন উচ্চপদস্থ এ সরকারী কর্মকর্তা।।

দেশের তৈরী পোশাক খাতের প্রতি সম্মান জানিয়ে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ পোল্ট্রি উদ্যোক্তা প্লানেট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ্ হাবিবুল হক বলেন গার্মেন্টস্ সেক্টরে ৪০ লাখ লোক কাজ করে। এটি শহর বা রাজধানী কেন্দ্রিক হওয়ায় সহজেই এর অবদান চোখে পড়ে। কিন্তু পোল্ট্রিতে ৬০ লক্ষ লোক কাজ করলেও তা তেমন দৃশ্যমান হয় না। কারণ এটি প্রান্তিক পর্যায়ে গড়ে ওঠা একটি শিল্প। এমন কোন গ্রাম নেই যেখানে পোল্ট্রি খামার নেই।

অজ্ঞিতার আলোকে জনাব হক বলেন দেশে এখন আন্তর্জাতিকমানের পোল্ট্রি শিল্প গড়ে উঠেছে যা কয়েক বছর আগে কেউ চিন্তাও করতে পারতো না। তবে সোস্যাল মিডিয়ায় পোল্ট্রি সম্পর্কে নেতিবাচক খবর খবর প্রচারণায় শিল্পের উপর যে আঘাত আসে তা উল্লেখ করেন  পোল্ট্রি অন্যতম শুভাকাংখী এ উদ্যোক্তা। পাশাপাশি এসব বন্ধে সরকারী উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে বলে মত দেন তিনি। এর পাশাপাশি ডিম ও ব্রয়লার গ্রহনের জন্য সরকারী পর্যায় থেকে প্রচারণা চালা নোর অনুরোধ করেন জনাব হক।

আহকাব সভাপতি একেএম আলমগীর বলেন তারা বেশ সহনীয় মূল্যে খামারী ভাইদের মেডিসিন, ভ্যাক্সিন, এডিটিভস্, প্রিমিক্স সহ নানা পণ্য সরবরাহ করতে পারেন। তবে আমদানী করতে যেয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে কাস্টমস্, বন্দরসহ নানা জায়গায় যে ধরনের জটিলতার মুখে পড়তে হয় তাতে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ঘটে। এসময় তিনি একই আইটেম প্রতিবারে বন্দরে খালাস করতে গেলে প্রতিবারে টেস্ট করতে হয় যা অপ্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেন।

পোলট্রি কনসালটেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস-এর সিইও জনাব রফিকুল হক বলেন পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রি ধীরে ধীরে বড় হলেও এর সমস্যা অনেক। আমরা যদি কোয়ালিটি ও নিরাপদ খাবার দিয়ে চাই তবে আমাদের উৎপাদনের খরচের বিষয়গুলি বিবেচনায় আনা প্রয়োজন। তিনি আমদানী নীতি পরিবর্তন এর কথা উল্লেখ করে বলেন সুষ্ঠু আমদানী পরিবেশ বিরাজমান না থাকায় অনেক সময় বন্দরে পণ্য খালাস করতে দেরী হয়ে যায়। ফলে উদ্যোক্তাদের ড্যামারেজের কারণে পণ্যের মূল্য বেড়ে যায়। এছাড়া পথে পথে চাঁদাবাজি ও হয়রানি তো রয়েছেই।
 
ফিআব সাধারণ সম্পাদক মো. আহসানুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে বলেন আর্ন্তজাতিক বাজারে পোণ্ট্রি ফিডের কাঁচামাল অস্বাভাবিক অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়া বিগত বছরের চেয়ে ডলারের দাম বেড়েছে ৬/৭% । ফলে ডলারের দাম বৃদ্দির কারনে বছরে প্রায ৬০০ কোটি টাকা উৎপাদন খরচের সাথে অতিরিক্ত যোগ হচ্ছে। যার একটি অংশ গিয়ে পড়ছে খামারীর কাঁধে। এর পাশাপামি তিনি বর্তমান সময়ে ফিড পরিবহনে প্রতিবন্ধকতার বিষয়গুলি তুলে ধরেন। এসময় তিনি পপ্য পরিবহনে পথে পথে চাঁদাবাজি। ২০ টন ট্রাকে-১২ টন ফিড পরিবহনের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরেন। কাষ্টম ক্লিয়ারিং এর ক্ষেত্রে জটিলতা, কাঁচামাল আমদানীতে ট্যাক্স, এনওসি প্রাপ্তিতে দীর্ঘসূত্রীতা সহ নানা জটিলতায় ফিড মিলারদের  ব্যবসা পরিচালনা করা কস্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

আলোচনায় উপস্থিত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (সম্প্রারণ) ডা. হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক বলেন সরকারী পর্যায়ে পোল্ট্রি খামারীদের তারা তারা প্রশিক্ষন দিয়ে থাকেন। তবে কর্পোরেট পর্যায়ে তেমন প্রশিক্ষনের সুযোগ এখনও হয়ে ওঠেনি। তবে তিনি গবেষণার জন্য স্বতন্ত্র পোল্ট্রি রির্সাচ সেন্টারের কথা তিনি উল্লেখ করেন। রির্সাচের ক্ষেত্রে সরকার ও কোম্পানীগুলো একসাথে কাজ করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে বলে তিনি মনে করেন। পোল্ট্রির প্রসেসিং, ভ্যালু এ্যাডেড পণ্যগুলি সরকারী ভাবে প্রমোট করা যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সেক্টরে অনেক সমস্যার থাকলেও তাদের অধিদপ্তরের সীমিত জনবলের কথা উল্লখ করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পদস্থ এ সরকারী কর্মকর্তা।

আলোচনার টেবিলে প্রধান অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মি: নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এম.পি বলেন বর্তমানে পোল্ট্রি একটি শক্তিশালী অবস্থানে এসে দাড়িয়েছে। আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে এটির অবদান আর স্বীকার না করে উপায় নেই। পোল্ট্রির মাংশ না থাকলে গরু/খাশির দাম কোথায় গিয়ে ঠেকতো তা সহজেই অনুমেয়। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রসেসিং ও ভ্যালু এ্যাডেড পণ্যগুলির রপ্তানীর সুযোগ রয়েছে। তিনি পণ্যের গুনগতমান, মার্কেট খোঁজা এসব বিষয়গুলির উপর জোর দেন।

মন্ত্রী আলোচনায় উঠে আসা সমস্যাগুলি গভীরভাবে শোনেন। তার মন্ত্রনালয়ের এখতিয়ারের সমস্যাগুলি অতি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এছাড়া বানিজ্য ও অর্থ মন্ত্রনালয়ের বিষয়গুলি বিশেষ করে ভ্যাট, ট্রাক্স সহ আলোচিত সমস্যাগুলি অতি দ্রুত আন্ত:মন্ত্রনালয় বৈঠকের মাধ্যমে বসে কিভাবে সমাধান করা যা সে কথাও বলেন।

বড় বড় উদ্যোক্তাদের দিকে ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন মুনাফার পরিমাণ সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। বিশেষ করে প্রান্তিক পর্যায়ে খামারীদের কথা তাদের বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। এসময় তিনি গত বছরের একদিন বয়সী লেয়ার বাচ্চার অস্বাভাবিক ও অযৌক্তিক মূল্য বৃদ্ধির কথা মনে করিয়ে দেন। মন্ত্রী এই শিল্পে নতুন যার যারা আসবে তাদের যোগ্যতা, সক্ষমতা আছে কিনা তা সরকারীভাবে দেখার কথা বলেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন এ ইন্ডাস্ট্রিটা অতন্ত স্পর্শকাতর।

সভাপতির বক্তব্যে আহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ডিবিসি নিউজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শহীদুল আহসান বলেন পোল্ট্রির পলিসিতে সব কিছু থাকলেও এর প্রয়োগ আছে বলে মনে হয় না। কৃষিখাতে প্রান্তিক কৃষকদের প্রনোদনার ব্যবস্থা থাকলে ও পোল্ট্রি খামারিদের কোন প্রনোদনার ব্যবস্থা নাই। তিনি কৃষির মতো এ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে প্রনোদনার ব্যবস্থার জন্য মন্ত্রীর নিকট অনুরোধ করেন। তিনি পোল্ট্রি শিল্পের বিভিন্ন এসোসিয়েশনের মাঝে আরো সমন্বয় সাধন করতে উদ্যোক্তাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান।

আলোচনা টেবিলে সঞ্চালকের ভূমিকায় ছিলেন ডিবিসি নিউজের সম্পাদক প্রণব সাহা। তিনি বলেন দেশের পরিণত একটি শিল্প বর্তমান সময়ে একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এধরনের সংকট দেশের অর্থনীতি তথা কর্মসংস্থানের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। সাম্প্রতিক সময় খামারে যেমন বিভিন্ন ধরনের রোগ-ব্যাধি মোকাবেলা করতে হচ্ছে আবার পোলট্রি ফিড, ডিম ও মাংসের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিতে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন সংশ্লিস্টরা। অবাক করা ব্যাপার হলো উৎপাদিত পণ্যের আবার নেই বাজারমূল্য যেটি চলছে লম্বা সময় ধরে।এ ব্যাপারগুলি আরো বেশিবেশি করে নিয়মিতভাবে সরকারের নীতি নির্ধারণী মহলে তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

wso shell Indoxploit shell fopo decode hızlı seo googlede üst sıraya çıkmak seo analiz seo nasıl yapılır iç seo nasıl yapılır evden eve nakliyat halı yıkama bmw yedek parça hacklink panel bypass shell hacklink böcek ilaçlama paykasa fiyatları hacklink Google