বিএফআরআই-এ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২৯ তম বৈঠক অনুষ্ঠিত

বাকৃবি প্রতিনিধি:মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২৯ তম বৈঠক বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) এর সদর দপ্তর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান বাগেরহাট ০২ আসনের সম্মানিত সংসদ সদস্য মীর শওকাত আলী বাদশাহ, এমপি।

বৈঠকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মি: নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মাননীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট মুহাম্মদ আলতাফ আলী, এমপি (বগুড়া-৭), মাননীয় সংসদ সদস্য বেগম শামছুন নাহার (এডভোকেট) এমপি (মহিলা আসন-২৯), মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব ইফতিকার উদ্দিন তালুকদার পিন্টু, এমপি ( নেত্রকোনা-৩)।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব জনাব মো. রইছউল আলম মন্ডল। এছাড়াও  মন্ত্রণালয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভার শুরুতেই ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) এর সার্বিক কার্যক্রমের ওপর পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্ যএকমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত। ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেঅবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।

গবেষণা কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- স্বাদুপানি কেন্দ্র, ময়মনসিংহ, নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর, লোনাপানি কেন্দ্র, পাইকগাছা, খুলনা, সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার এবং চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র,বাগেরহাট। উপকেন্দ্র ৫টি হচ্ছে নদী উপকেন্দ্র, রাঙ্গামাটি, প্লাবনভূমি উপকেন্দ্র, সান্তাহার, বগুড়া, স্বাদুপানি উপকেন্দ্র, যশোর, নদী উপকেন্দ্র, খেপুপাড়া, পটুয়াখালী এবং স্বাদুপানি উপকেন্দ্র, সৈয়দপুর, নীলফামারী।

ইনস্টিটিউট দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে জাতীয় চাহিদার নিরীখে গবেষণা পরিচালনা করে এ যাবত ৬০টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। এরমধ্যে ৪৯টি মাছের প্রজনন, জীনপুল সংরক্ষণ, জাত উন্নয়ন ও চাষাবাদ বিষয়ক এবং অপর ১১টি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক। এসব প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণের ফলে দেশে মাছের উৎপাদন উল্লেখ্যযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।