২০৩০ সালের আগেই ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত হবে দেশের জনগণ

২০৩০ সালের আগেই ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত হবে দেশের জনগণ

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: ক্ষুধামুক্ত হয়েছে দেশের জনগণ। এখন দরকার পুষ্টি ও দারিদ্র্যের অবসান। সরকারের পাশাপাশি সকলে মিলে এ লক্ষ্যে কাজ করলে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যেই পরিপূর্ণতার দিকে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। ২০৩০ সালে বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত।  

৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটের NPI university of Bangladesh-এর ট্রাষ্টি বোর্ডের কনফারেন্স হলে "A# ZeroHunger world by 2030 is possible: Bangladesh Perspective"-শীর্ষক এক গোল টেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

NPI university of Bangladesh, Bangladesh Society for Safe Food and Mass Advancement for Technology, Environment and Technolgy (MATEE)-এর যৌথ আয়োজনে এ গোল টেবিল আলোচনায়  বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, সংশ্লিস্ট সেক্টরের বিজ্ঞানী, গবেষক ও উন্নয়ন কর্মকর্তারা অংশগ্রহন করেন।

গোল টেবিল আলোচনায় আলোচকরা বলেন এক সময় সাত কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের ভাবতে হতো। বিদেশের দিকে সবসময় তাকিয়ে থাকতে হতো। এখন সে অবস্থার বিস্ময়কর পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ১৬ কোটি মানুষের দেশে কেউ এখন না খেয়ে থাকে না। আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি। মাছ-মাংস, ডিম-দুধ, সবজি-ফলসহ কৃষির প্রতি সেক্টরে আমাদের ঈর্ষনীয় সাফল্য এসেছে। তবে জীবনযাত্রার মান বাড়াতে যেয়ে এমন কিছু কাজ আমরা করছি যা আবহাওয়ার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে এবং এর প্রভাব কৃষির উপর পড়ছে। কাজেই এ বিষয়ে সকলের সজাগ দৃষ্টি দেওয়া জরুরী।

বক্তারা বলেন আরবানাইজেশন বাড়ার কারণে আমাদের কৃষিজ জমি কমছে আবার একদিকে বাড়ছে মানুষ। তবে শস্য নিবিড়তার কারণে আমাদের কৃষির উৎপাদন বেড়েছে এবং এটিকে আরো এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা। আগামীতে কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পানির ব্যবহার আরো বাড়বে। আবহাওয়ার নানা বিরূপ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার পাশাপাশি নিজেদেরও খাপ খাইয়ে চলতে হবে বলে গবেষকরা মন্তব্য করেন।

গোল টেবিল আলোচনায় NPI university of Bangladesh-এর-প্রফেসর ড. দেওয়ান আব্দুল কাদির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিষ্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বোর্ড সদস্য প্রফেসর ড. মো: আব্দুর রউফ মামুন, NPI university of Bangladesh-এর ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং জেনারেল সেক্রেটারী IDEB ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শামছুর রহমান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা কাউন্সিল (BARC)- এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (প্রানিসম্পদ) এবং সভাপতি, Society for Safe Food ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, NPI university of Bangladesh-এর-রেজিষ্ট্রার প্রফেসর এফএমএ সালাম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা কাউন্সিল (BARC)-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ক্রপস্) ড. হারুন অর রশীদ, NPI university of Bangladesh-এর- ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান মোঃ মাহমুদুর রহমান, Mass Advancement for Technology, Environment and Technology (MATEE) এর সভাপতি মো: আবু দাইন মীর এবং পরিচালক ড. শহিদুল হাসান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড.শাহেদুর রহমান, ব্রিটিশ কাউন্সিলের ফুড সেফটি গভর্ননেন্স এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মি: শ্যামল চাকমা, এগ্রিলাইফ২৪ ডটকমের সম্পাদক কৃষিবিদ মো: শফিউল আজম, প্রকাশক মিসেস কানিজ ফাতেমাসহ সংশ্লিস্ট সেক্টরের বিজ্ঞানী, গবেষক ও উন্নয়ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

wso shell Indoxploit shell fopo decode hızlı seo googlede üst sıraya çıkmak seo analiz seo nasıl yapılır iç seo nasıl yapılır evden eve nakliyat halı yıkama bmw yedek parça hacklink panel bypass shell hacklink böcek ilaçlama paykasa fiyatları hacklink Google