দেশে প্রস্তুতকৃত প্রথম চ্যালেঞ্জ টেস্টেড FMD ভ্যাকসিন ক্ষুরাভ্যাক্সTM ভেট

এগ্রিবিজনেস ডেস্ক:ভালো মানের ক্ষুরারোগের ভ্যাকসিন বাংলাদেশের খামারিদের অনেক দিনের চাহিদা। কারণ, ক্ষুরারোগ গবাদি প্রাণীর অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রোগ। এ রোগের কারণে আমাদের দেশে বছরে প্রায় ১০০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়। ক্ষুরারোগে আক্রান্ত প্রাণী সহজে পূর্বের উৎপাদনে ফিরতে পারে না, আক্রান্ত বাছুরে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। বাংলাদেশের গরুতে ক্ষুরারোগ এর ব্যাপকতা অধিক।

ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় একমাত্র সময়মত ভ্যাকসিন প্রয়োগ করার মাধ্যমেই এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। ক্ষুরাভ্যাক্সTM ভেট OIE নির্দেশনা এবং ইউরোপিয়ান ফার্মাকোপিয়া অনুযায়ী সঠিক নিয়মে প্রস্তুতকৃত। এতে রয়েছে টাইপ O, A, ASIA-1 তিনটি সেরোটাইপ যা বাংলাদেশের গরুতে ক্ষুরারোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী। এর এন্টিজেন শোধনকৃত, ঘনীভূত, এডজুভেন্টযুক্ত এবং ব্যবহারের জন্য প্রস্তুতকৃত।

বাংলাদেশে প্রস্তুতকৃত ক্ষুরাভ্যাক্সTM ভেট ই একমাত্র OIE গাইডলাইন মেনে চ্যালেঞ্জ টেস্টেড ভ্যাকসিন। ইনসেপ্টার রয়েছে নিরবিচ্ছিন্ন কোল্ড চেইন সিস্টেম যার মাধ্যমে সর্বত্র +২সে. থেকে +৮সে. তাপমাত্রা এবং ভ্যাকসিনের সঠিক কার্যকারিতা নিশ্চিত হয়। ক্ষুরাভ্যাক্স ৫ মাত্রা এবং ১০ মাত্রার সাশ্রয়ী ভায়ালে পাওয়া যাচ্ছে। মূল্যঃ ৫ মাত্রা ৪০০ টাকা এবং ১০ মাত্রা ৭০০ টাকা মাত্র

মাত্রা  ও প্রয়োগবিধি:
বয়স এবং প্রাণীর ওজন যাই হোক না কেন, নিম্নলিখিত মাত্রা ও সময়সূচী  অনুযায়ী  ভ্যাকসিন দিতে হবে-

  • গরু, মহিষ ও বাছুর: ২ মি.লি. মাংসে বা চামড়ার নিচে
  • ছাগল ও ভেড়া : ১ মি.লি. মাংসে বা চামড়ার নিচে
  • ১ম ভ্যাকসিনেশন: ৩-৪ মাস বয়স এবং এরপর থেকে
  • বুস্টার: প্রাথমিক ভ্যাকসিনেশন-এর ১-১.৫ মাস পর
  • রি-ভ্যাকসিনেশন: প্রতি ৪  মাস পর পর

অথবা, রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ান-এর পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার্য।