Aquastar grow out-মাছ ও চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধির আন্ত্রিক প্রোবায়োটিক

Aquastar grow out-মাছ ও চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধির আন্ত্রিক প্রোবায়োটিক

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:টেকসই ও পরিবেশবান্ধব মাছ ও চিংড়ি চাষে বাংলাদেশ এখন অনেকদূর এগিয়েছে। মৎস্য চাষীরা এখন দিনদিন আগ্রহী হচ্ছেন এসব প্রোবায়োটিক ব্যবহারে। প্রোবায়োটিক ক্ষতিকর ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ও বিভিন্ন রোগবালাইয়ের প্রকোপ হতে যেমন সুরক্ষা দেয় তেমনি নিরাপদ ও মানসম্মত মাছ ও চিংড়ি উৎপাদনে সহায়তা করে।

দেশে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাছ ও চিংড়ি উৎপাদনে রেনাটা এনিম্যাল হেলথ্ বাজারজাত করছে অ্যাকুয়াস্টার গ্রো আউট। মাছ ও চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধির আন্ত্রিক এ প্রোবায়োটিকটির ব্যবহার মাছ ও চিংড়ির গুনগতমান বাড়ার সাথে সাথে বিদেশি গ্রাহকদের নিকট গ্রহণযোগ্যতা ও মূল্য উভয়ই বাড়াতে সহায়ক হবে।

Aquastar grow out এর কার্যকর উপাদানঃBacillus spp, Enterococcus spp, Pedicoccus spp, Lactobacillus spp

অ্যাকুয়াস্টার গ্রো আউট এর ব্যবহারের সুবিধাঃ

  • অন্ত্রের কার্যকারীতা বাড়ায়
  • দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং মৃত্যুহার কমাতে সাহায্য করে
  • ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ব্যহত করতে অ্যাকুয়াস্টার গ্রো আউট অতুলনীয়

অ্যাকুয়াস্টার গ্রো আউট এর ব্যবহারের নিয়মঃ পিলেট (ভাসমান বা ডুবন্ত) খাদ্যে ব্যবহারের জন্য মোট খাদ্যের ৫% অ্যাকুয়াস্টার গ্রো আউট পানির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে খাদ্যের উপর স্প্রে করতে হবে।

Aquastar grow out-এর ব্যবহারের মাত্রা:

  • সাধারণ মাত্র:২ গ্রাম/কেজি খাদ্যে
  • মাছের বৃদ্ধির শুরুতে (১-৪ সপ্তাহ):৩ গ্রাম/কেজি খাদ্যে
  • অবশিষ্ট সময়:২ গ্রাম/কেজি খাদ্যে

সরবরাহ:১০০ গ্রাম পাউডার

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি আয়ের সম্ভাবনাময় এ খাতে নতুন আশার আলো প্রোবায়োটিক। এমনটিই আশাবাদ মৎস্য ও চিংড়ি চাষ সংশ্লিষ্ট গবেষক, চাষী, মৎস্য কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীগণের।তারা মনে করেন এ ধরনের পণ্য মৎস্য সেক্টরে উৎপাদক ও ভোক্তা উভয়ের জন্য কল্যান বয়ে আনবে।

wso shell Indoxploit shell fopo decode hızlı seo googlede üst sıraya çıkmak seo analiz seo nasıl yapılır iç seo nasıl yapılır evden eve nakliyat halı yıkama bmw yedek parça hacklink panel bypass shell hacklink böcek ilaçlama paykasa fiyatları hacklink Google