নোবিপ্রবি উপাচার্যের জাপান ও থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাত্রা

রাইকুক বিশ্ববিদ্যালয়ে রোহিঙ্গা বিষয়ে ভাষণ
কামরুল হাসান শাকিম, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:২২ দিনের সফরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান আগামিকাল সোমবার (৪ জুন ২০১৮) রাতে জাপানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন। তিনি ৫ জুন থেকে ১২ জুন পর্যন্ত জাপানের রাইকুকো বিশ্ববিদ্যালয়ে নুমাতা ফেলোশীপে অংশগ্রহণ করবেন।

সরকালীন সময়ে তিনি ৯ জুন রাইকুক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ এশিয়া স্টাডিজ (সিএসএএস) এ রোহিঙ্গা বিষয়ে ভাষণ প্রধান করবেন। ১৩ জুন কুবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্টিফিক ল্যাবসমূহ পরিদর্শন করবেন। ১৪ জুন ১.৩০ মিনিটে ইউনিভার্সিটি অব হিরোশিমা এর বায়োটেকনোলজী বিভাগের ল্যাব পরিদর্শন ও সভায় অংশগ্রহণ করবেন। ১৫ জুন সকাল ৯.৩০ মিনিটে রাইকুকো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট (ভাইস চ্যান্সেলর) এর সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন। এছাড়াও তিনি বিকেল ৩.৩০ মিনিটে ফুকুওয়াকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সভা ও ল্যাব পরিদর্শন করবেন।

তিনি ১৬ জুন ফুকুওয়াকা শহর পরিদর্শন করবেন। ১৬ জুন সন্ধ্যায় কুমমামতো বিশ্ববিদ্যালয়ে গমন করবেন এবং ১৭ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের সাথে সভা ও ল্যাব পবিদর্শন করবেন। এছাড়াও তিনি ১৮ জুন সকাল ১০.০০ কুমমামতো বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একটি শিক্ষা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করবেন।

উপাচার্য ১৯ জুন বিকাল ৪টা ইউনিভার্সিটি অফ হিরোশিমা এর শিক্ষা অনুষদ পরিদর্শন ও ডিন মহোদয়ের সাথে সভা ও সেমিনারে অংশ নিবেন। পরে ২০ ও ২১ জুন কিয়োতো বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিদর্শন করবেন। তিনি ২২ জুন ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন ও কর্তৃপক্ষের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশ নিবেন। পরে ২২ জুন রাতে ওসাকা থেকে থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। ২৫ জুন থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি এর সাথে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করবেন। ২২ দিনের সফর শেষে ২৫ জুন রাতে থাইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর। সফরসূচিতে থাকা নির্ধারিত কর্মসূচিগুলোর বাইরেও বিভিন্ন মতবিনিময় অনুষ্ঠান, সভা, সেমিনার ও সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেবেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান।

এর আগে ২০১৭ সালে উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান ইউরোপে যান। সেখানে তিনি চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ বোহেমিয়া’য় অনুষ্ঠিতব্য ‘সায়েন্টিক কনফারেন্স’ এ যোগ দেন এবং ইউনিভার্সিটি অব সাউথ বোহেমিয়ার সঙ্গে শিক্ষা সমঝোতা চুক্তি করেন। আর ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাজ্যের স্টারলিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষা সমন্বয় কার্যক্রম চালু করতে যুক্তরাজ্যে গমন করেন তিনি। এতে করে এখানকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মেরিন সায়েন্স ও সমুদ্র সম্পদ ব্যবস্থাপনায় উন্নত গবেষণার সুযোগ লাভ করে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ২০৪১ সালের একটি উন্নত ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে নোবিপ্রবিকে একটি বিশ্বমানের উন্নত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে  তুলতে কাজ  করছেন উপাচার্য। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও গবেষণার মানোন্নয়নে পৃথিবীর অন্য বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিক্ষা সমন্বয় কার্যক্রম চালু করতেই তিনি পৃথিবী বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর পরিদর্শন করেন।