অন্যায়ের প্রতিবাদী জিল হোসেনের পাশে বাকৃবি শিক্ষার্থীরা

অন্যায়ের প্রতিবাদী জিল হোসেনের পাশে বাকৃবি শিক্ষার্থীরা

অাবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি:১৯৬৯ সালে উচ্চশিক্ষা নিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ভর্তি হন জিল হোসেন এবং ১৯৭৩ শিক্ষাবর্ষে গ্রাজুয়েট হওয়ার কথা। কিন্তু জিল হোসেনের দাবি, অন্যায়ের প্রতিবাদী ছিলেন বলে প্রশাসনের রোষানলে পড়ে সর্বশেষ পরীক্ষায় ক্রপ বোটানিতে তাঁকে ফেল দেখানো হয়। প্রশাসনিক টালবাহানায় শেষমেষ তিঁনি ডিগ্রী ছাড়াই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়েন। কিন্তু দমে যাওয়ার পাত্র ছিলেন না তিনি। তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অন্যায়ভাবে তাকে ডিগ্রী প্রদান থেকে বিরত থেকেছে।

নিজ বাড়ি সিরাজগঞ্জে অবস্থান করে নিজের সমস্ত সম্পত্তির বিনিময়ে তার কাঙ্খিত ডিগ্রী উদ্ধার করতে মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিপক্ষে। মামলার জয়ও হয় তার পক্ষে। উচ্চ আদালত তাঁকে ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বললে, শুরু হয় বাকৃবি প্রশাসনের টালবাহানা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রসাশন পাল্টা আপিল করে। দীর্ঘ ২৩ বছর পর ১৯৯৭ সালে আদালতের রায়ে তাকে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রী দেওয়া হয়। এরপর ক্ষতিপূরণ মামলা করলে আদালত তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে প্রায় ২ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তীতে উচ্চ আদালতে আপিল করলে মামলাটি এখনও ঝুলে আছে বলে জানান তিনি। দরিদ্র জিল হোসেনের মামলা লড়তে গিয়ে তার নিজের ভিটে-মাটি সব বিক্রি করে ফেলেছেন।

সম্প্রতি বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মৌন মিছিল ও মানববন্ধনের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ও বিভিন্ন অনুষদীয় ছাত্র সমিতি।

রবিবার বিকাল তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মৌন মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবারো তাদের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

পরে বিকাল চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আরেকটি মানববন্ধনের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় অনুষদীয় ছাএসমিতি।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জিল হোসেনের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানায়।

ইফতেখার অালম এলিন নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, জিল হোসেন ভাইসহ অন্যান্য সিনিয়র বড় ভাইবোনদের সাথে যে সব অন্যায় বাকৃবি করেছে তার সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাব না।  প্রয়োজনে আমরাও আমাদের অর্জিত সার্টিফিকেটগুলো বাকৃবি প্রশাসনকে ফেরত দিয়ে প্রতিবাদ করবো। বাকৃবি প্রশাসনকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, জিল হোসেন ভাই একা নয়, আমরা প্রতিটি বাকৃবির শিক্ষার্থী আজ এক-একজন জিল হোসেন।

wso shell Indoxploit shell fopo decode hızlı seo googlede üst sıraya çıkmak seo analiz seo nasıl yapılır iç seo nasıl yapılır evden eve nakliyat halı yıkama bmw yedek parça hacklink panel bypass shell hacklink böcek ilaçlama paykasa fiyatları hacklink Google