নোবিপ্রবিতে মাসব্যাপী শোক দিবসের কর্মসূচীর উদ্বোধন

কামরুল হাসান শাকিম, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০১৮ উপলক্ষে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) কর্তৃক ঘোষিত মাসব্যাপী কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শোকের মাসের প্রথম দিন বুধবার (১ আগস্ট ২০১৮) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাজ ধারণ, শপথ গ্রহণ ও বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবুল হোসেন, অনুষদসমূহের ডিন, ইনস্টিটিউটসমূহের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, হলসমূহের প্রভোস্টবৃন্দ, দপ্তরসমূহের পরিচালক, শিক্ষক সমিতি ও অফিসার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দসহ ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নোবিপ্রবি পরিববারের ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দদের শপথ গ্রহণ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। মাননীয় উপাচার্য শপথ বাক্য পাঠ করান। এর আগে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা করেন। এসময় তিনি বলেন জাতির পিতা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিলো ‘সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা, দেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর’। আজ তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার হাতে বাংলাদেশ। আজ আমাদের শপথ হবে, প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতকে শক্তিশালি করার মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা।

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট একদল বিপথগামী ৩২ নম্বরের বাড়িতে নারকীয় নিধনযজ্ঞ চালায়। সেদিন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কোরআন তেলওয়াত করে মহান আল্লাহর কাছে বাঁচার আকুতি নিবেদনের প্রাক্কালে খুনিরা কোরআন শরীফে বুলেট ছুঁড়ে। কতোটা হিং¯্র হলে এমনকা- তারা ঘটাতে পারে। উপাচার্য আরো বলেন, ত্রিশ লাখ শহীদ ও ছয় লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আজকের বাংলাদেশ। যাদের আত্মদানে এ দেশ আমরা পেয়েছি তাদের অবদান কোনোদিন ভুলার নয়।
    
এদিকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে শিক্ষা বিভাগ ও সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত দুই দিনব্যাপি অনুষ্ঠানের আজ প্রথম দিন ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের’ ওপর কবিতা আবৃত্তি ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।