গান্ধী, বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা বিশ্বমানবতার নেতা-নোবিপ্রবি উপাচার্য

গান্ধী, বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা বিশ্বমানবতার নেতা-নোবিপ্রবি উপাচার্য

কামরুল হাসান শাকিম, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান বলেছেন, ‘অহিংস নীতির প্রবক্তা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী ও বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিপীড়িত মানুষের পক্ষে মানবতার হাত বাড়িয়েছেন, শোষিতের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা মানবতার জন্য কাজ করে আজ বিশ্ববাসীর নিকট ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ অর্জন করেছেন। তারা প্রত্যেকেই বিশ্বমানবতার নেতা’।

মহাত্মা গান্ধীর জন্ম সার্ধশত বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত “গান্ধী বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনা : শান্তির দর্শনে বাংলাদেশ” শীর্ষক  আলোচনা সভা ও স্মরণানুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার (০১ অক্টোবর ২০১৮) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামে  নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট, নোয়াখালী যৌথভাবে এর আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপাচার্য আরো বলেন, গান্ধীজি যেমন ভারতের জাতির পিতা, বঙ্গবন্ধু তেমনি বাঙালি জাতির পিতা। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের হয়ে পৃথিবীর নানা প্রান্তে মহাত্মা গান্ধী কাজ করেছেন তিনি ভারতবর্ষের মানুষের অধিকার আদায়ে অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃত্বে দিয়েছিলেন। সুদূর আফ্রিকাতে ছুটে গেছেন কালো মানুষদের দাবি পূরণে। ভারতীয়দের মুক্তির জন্য গান্ধীজী স্বদেশী আন্দোলন, অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃত্বে দিয়েছিলেন। তেমনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি মহান মুক্তিসংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। তাইতো বঙ্গবন্ধু জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘বিশ্ব আজ দুভাগে বিভক্ত। একদিকে শোষক, অন্যদিকে শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, ভারতের প্রাক্তন সাংসদ প্রফেসর ড. রামজী সিং ও ‘শান্তি সম্প্রীতি মৈত্রী যাত্রা’ এর আহবায়ক শ্রী চন্দন পাল, নোবিপ্রবি রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো. মমিনুল হক, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. আবদুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক এম গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

ভারতের প্রাক্তন সাংসদ প্রফেসর ড. রামজী সিং, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যখন একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় ভারতের আপামর জনসাধারণ তাকে সমর্থন জানিয়েছে, পাশে দাঁড়িয়েছে। গান্ধী অনুসারি সংগঠনগুলি লোকনায়ক, জয়প্রকাশ, নারায়ণের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নায্য দাবিকে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরে বিশ্বমানবতার দৃষ্টি আকর্ষনে যেমন সমর্থ হয়, সেই সঙ্গে যুদ্ধগ্রস্থ লক্ষ লক্ষ শরণার্থী, পীড়িত মানুষের সেবায় নিজেদেরকে সর্বতোভাবে নিয়োজিত করে। সেই সময়ের জয়বাংলা ধ্বনি সীমান্তের দুই প্রান্তের মানুষকে উদ্বেলিত করেছে’।  

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত করেন হাফেজ মো. জোবায়ের হোসেন। গীতা পাঠ করেন বায়োটেকনলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. ধীরেন্দ্রনাথ বর্মন, বাইবেল পাঠ করেন বায়োকেমেস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের প্রভাষক লিজা রোজারিও, ত্রিপিটক পাঠ করেন ইএসডিএম বিভাগের প্রভাষক তনুজা বড়ৃয়া। পরে নোবিপ্রবি উপাচার্য ভারত থেকে আগত অতিথিবৃন্দদের সঙ্গে নিয়ে গান্ধীজির জন্মবার্ষিকীর কেক কাটেন।

মানবিক অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সৈয়্যদ আতিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ এবং মুক্তিযুদ্ধ অধ্যায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. দিব্যদ্যুতি সরকার। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিতে কলকাতা-নোয়াখালী; ‘শান্তি-সম্প্রীতি-মৈত্রী যাত্রা’ সংগঠনের ১৯ জনের একটি প্রতিনিধি দল ভারত থেকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। সোমবার নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট, নোয়াখালী যৌথভাবে “গান্ধী বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনা : শান্তির দর্শনে বাংলাদেশ” শীর্ষক  আলোচনা সভা ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করে।

wso shell Indoxploit shell fopo decode hızlı seo googlede üst sıraya çıkmak seo analiz seo nasıl yapılır iç seo nasıl yapılır evden eve nakliyat halı yıkama bmw yedek parça hacklink panel bypass shell hacklink böcek ilaçlama paykasa fiyatları hacklink Google