মেধা ও শারীরিক গঠনের জন্য প্রতিটি মানুষের দৈনিক প্রায় ১২০ গ্রাম প্রণিজ আমিষ খাওয়া প্রয়োজন। দেশে ব্রয়লার তথা প্রোল্ট্রি শিল্পের অভাবনীয় উন্নতির কারণে এটি অনেকাংশে সম্ভব হয়েছে। তবে বিভিন্ন জটিলতা আর শঙ্কার মধ্যে আছে কৃষি প্রধান এ দেশের বৃহৎ এ শিল্প। এ শিল্পকে টিকে রাখা এবং ভবিষ্যত নিয়ে কথা বলেছেন দেশের নামকরা প্রোল্ট্রি প্র্যাকটিশনার ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্যাথলজি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. প্রিয় মোহন দাস। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন আবুল বাশার মিরাজ

গবেষণা ডেস্ক:চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) দুই দিনব্যাপী “৪র্থ জাতীয় ডিভিএম ইন্টার্ন গবেষণা সম্মেলন” ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং বুধবার সকালে শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রইছুল আলম মন্ডল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ।

Anjan Mondal, Azimul Haque, Partha Das, Venket M Shelke and Prakash C Saini, Kemin Industries South Asia Pvt. Ltd.
INTRODUCTION
Enteric diseases are one of the major economically significant problem to poultry industry. This occurs because of huge economic loss due to lower production, increased mortality and the risk of contamination of poultry products for human consumption. Necrotic enteritis (NE) is the most common enterotoxemic disease in broiler chickens caused by Clostridium perfringens.

আবুল বাশার মিরাজ:ঘুম থকে ওঠার পর আর ঘুমাতে যাওয়ার আগে এখন সবচেেয় বেশি যে শব্দটা শুনি তা হল ‘রোহিঙ্গা’। কারণ চোখের সামনে ভেসে ওঠে কিছু মানুষ খাবার পানি ও খাদ্য ছাড়া মৃত্যুর প্রহর গুনছে। রোহিঙ্গারাই হচ্ছেন র্বতমান পৃথিবীর সবচয়ে নীপিড়িত জনগোষ্ঠীগুলোর একটি। বাংলাদেশে অবস্থানরত এ জনগোষ্ঠিকে নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা জানালেন ‘আমাল’ এর পরিচালক ইশরাত করিম ইভ। সিঙ্গাপুরের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে (ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর) একটি অনলাইন লেকচারে তিনি এ অভিজ্ঞতা জানান। প্রায় ঘন্টাব্যাপী তিনি রোহিঙ্গাদের বিষয়ে কথা বলেন।  

বাংলাদেশ কৃষি বিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষক, গবেষক ও উদ্ভিদবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিম। গবেষণাই তার নেশা ও পেশা বলা চলে। ১৯৯১ সালে থেকে এখন পর্যন্ত গবেষণা করেই চলেছেন তিনি। বাউকুল, আম, পেয়ারা, লেবু,জাম্বুরা, কামরাঙ্গা, জলপাই, আমলকি, ডুমুর, মালটা, অরবরই, লটকন, স্ট্রেবেরী, কদবেল, কাঁঠাল, আমড়া, রামবুটান, কাজুবাদাম, ড্রাগন, লিচু, তেতুঁল, লংগান, সফেদারসহ এ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশী ও বিদেশী ফলসহ মোট ৮১ প্রজাতি উদ্ভাবন করেছেন।একাধারে তিনি বাউ-জার্মপ্লাজম সেন্টারের পরিচালক ও প্রধান রুপকার। তিনি দেশী ও বিদেশী পুরস্কারে ভূষিত হন। বাংলাদেশের ফল উৎপাদনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তার সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারটি নিয়েছে আবুল বাশার মিরাজ

গবেষণা ডেস্ক:জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট বিল ২০১৮ উত্থাপন করা হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদের ২২তম অধিবেশনে সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) সংসদের ২২তম অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি। বিলটি উত্থাপনের পর বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।