জিনতাত্ত্বিক উপায়ে বাড়বে সরপুঁটির উৎপাদন

বাকৃবি প্রতিনিধি:থাই সরপুঁটি একটি বিদেশি প্রজাতির মাছ। সাধাণরত ৩-৪ মাসেই এর বাজারজাত করা যায় বলে দেশে এর চাহিদা অনেক। সরপুঁটির পোনা দেশের বিভিন্ন হ্যাচারিতে উৎপাদন করা হয়। কিন্তু ডিম থেকে পোনা উৎপাদনের সময় বেশির ভাগ পোনা পুরুষ মাছ হওয়াই মাছের উৎপাদন অনেকাংশেই কমে যায় কারণ মা সরপুঁটির চেয়ে পুরষ সরপুঁটির বৃদ্ধির হার অনেক কম।

তাই জিনতাত্বিক উপায়ে সকল পোনাকে মা মাছ তৈরি করা সম্ভব হলে এর উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের সম্মেলন কক্ষে ‘জিনতাত্বিক উপায়ে মা মাছ তৈরির মাধ্যমে থাই সঁরপুটির উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশল’ বিষয়ক এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন গবেষণার প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। তিনি আরও জানান, তার গবেষক দল জিনতাত্বিক উপায়ে এমন সরপুঁটির প্যারেন্ট (বাবা এবং মা মাছ) তৈরি করেছেন যাদের থেকে একশত ভাগ মা পোনা উৎপাদন করা যাবে। এতে সরপুঁটির উৎপাদন অনেকাংশেই বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরাও লাভবান হতে পারবে।

মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্স সিস্টেমের পরিচালক ড. এম এ এম ইয়াহিয়া খন্দকার। এছাড়াও কর্মশালায় ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন কৃষি খামার ও মৎস্য হ্যাচারির মালিক এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।