মুফতী মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা শাহ:শাওয়াল মাসের ১ম তারিখ ঈদুল ফিতরের দিনের ছোবহে সাদেক উদিত হতেই ছাদাকাতুল ফিতর ওয়াজিব হয়। এ জন্য ঐ দিনের ছোবহে ছাদেক হওয়ার পূর্বে যিনি মৃত্যুবরণ করেন অথবা ধনী ছিলেন ফকির হয়ে গেছেন অথবা ছোবহে ছাদেক হওয়ার পূর্বে কাফের মুসলমান হয়ে গেছেন অথবা শিশু জন্মগ্রহণ করে অথবা ফকির ছিল, ধনী হয়ে গেছে,তার উপর ছাদাকাতুল ফিতর ওয়াজিব হবে।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম, ইসলামিক ডেস্ক:১৪৩৯ হিজরি সনের পবিত্র জিলকদ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্যে আগামী ১৪ জুলাই ২০১৮ শনিবার সন্ধ্যা ৭.১৫ টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

মুফতী মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা শাহ:শাফেয়ী মাযহাব মতে ছদাকাতুল ফিতর আদায় করা ফরয।আর হানাফী মাযহাবে ছদাকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। এ দানের ব্যাপারে হাদীস শরীফে আছে- আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি রমজানের শেষের দিকে বললেন-তোমরা তোমাদের রোজার ছাদাকাকে আদায় কর।

মুফতী মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা শাহ:ছদাকাতুল ফিতর প্রত্যেক স্বাধীন মুসলমানের উপর ওয়াজিব যিনি নিত্য প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যতীত নিসাবের মালিক। এর অর্থ নিম্নের শর্তসমূহ পাওয়া গেলে একজন ব্যক্তির উপর ছদাকাতুল ফিতর ওয়াজিব হবে।

মুফতী মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা শাহ:ছদাকাতুল ও যাকাতের মাঝে পার্থক্য রয়েছে।
১.ছদাকাতুল ফিতর আদায় করার জন্য সম্পদ অবশিষ্ট থাকা শর্ত নহে। সম্পদ ধ্বংস হওয়ার পরও ছদাকাহ ওয়াজিব থেকে যায়, দায়িত্ব থেকে মুক্ত হয় না। কিন্তু যাকাত ও ওশর ফরজ হওয়ার পর সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেলে দায়িত্ব মুক্ত হয়ে যায়।

মুফতী মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা শাহ: সর্বসম্মতিক্রমে স্বর্ণের যাকাতের নিছাব হল ২০ মিসক্বাল বা সাড়ে ৭ ভরি বা তোলা ৮৭.৪৫ গ্রাম। এর কম পরিমাণ স্বর্ণে যাকাত ফরয হয় না, যদি এর সাথে যাকাতযোগ্য অন্য কোন সম্পদ না থাকে। নিছাব পরিমাণ সাড়ে সাত ভরি অথবা এর চেয়ে বেশী স্বর্ণ পূর্ণ এক বছর কারো মালিকানায় থাকলে চল্লিশ ভাগের এক ভাগ স্বর্ণ অথবা তৎপরিমাণ সম্পদ বা অর্থ যাকাত হিসেবে ফরয হবে। এটাই স্বর্ণের একক হিসাব।