ইসলামিক ডেস্ক:আজ (বুধবার) দেশব্যাপি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) । এদিন আখেরি নবী হজরত মোহাম্মদ মোস্তফা (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস। বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়সহ শান্তিকামী প্রত্যেক মানুষের কাছে দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে বিভিন্ন সংগঠন এই দিনটি উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

ইসলামিক ডেস্ক:ইসলাম শান্তি, সৌহার্দ্য, মানবতার ধর্ম। ইসলামী জীবনদর্শনে বিশ্বমানবতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। মানবসভ্যতায় সম্প্রীতির পৃথিবী আর সর্বজনীনতার প্রকৃষ্ট নজির স্থাপন করেছে ইসলাম।

ইসলামিক ডেস্ক:ব্যক্তি, থেকে পরিবার, সমাজ তথা রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রেই সহনশীলতার পথ অবলম্বন করা প্রত্যেক মানুষের নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব। আর মানবতার ধর্ম ইসলামে এই ধৈর্যের কথা সর্বদাই বলা হয়েছে।  ইসলামের সুমহান শিক্ষাই হলো- ‘প্রতিশোধ গ্রহণ না করে ক্ষমা করা এবং মানুষের প্রতি সহনশীল হওয়া, যখন সে ভুল করে।’

ইসলমিক ডেস্ক:আগামী বুধবার (২১ নভেম্বর) সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত হবে। এ দিনটি আখেরী নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.) এর জন্ম ও ওফাত দিবস। বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়সহ শান্তিকামী প্রত্যেক মানুষের কাছে দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর শিক্ষা সমগ্র মানবজাতির জন্য অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়।

ইসলামিক ডেস্ক:রাসুল(সঃ)বলেছেন “সে প্রকৃত বীর নয়, যে কাউকে কুস্তীতে হারিয়ে দেয়। বরং সেই প্রকৃত বীর, যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।” [সহীহ বুখারী ৫৬৮৪ ইফা]

ইসলামিক ডেস্ক:"সদা সত্য কথা বলিবে এবং কখননোই মিথ্যা কথা বলিবে না"।ছোট থেকেই আমরা শিক্ষক ও মুরুব্বিদের কাছ থেকে শিখি। আর ইসলামও এ কথাটি অধিক গুরুত্বের সাথে পালন করতে নির্দেশ দেয়। প্রলোভন বা ভীতি প্রদর্শনের সামনেও সত্যের ওপর অটল থাকা প্রকৃত ঈমানদারের সর্বোত্তম গুণ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের অন্তর্ভূক্ত হও।’