বি-ট্র্যাক সল্যুশনস জীবনকে করে সহজ ও নিরাপদ

Category: এগ্রিবিজ এন্ড টেক্ Written by Shafiul Azam

গণমাধ্যমের সঙ্গে নলেজ শেয়ারিং সেশনে নিজেদের উদ্ভাবন তুলে ধরেন কোম্পানির কর্মকর্তারা
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:: মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নিয়ে কাজ করছে দেশের প্রতিষ্ঠান বি-ট্র্যাক সল্যুশনস। অত্যাধুনিক ডিজিটাল সমাধানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি মবিলিটি, ওয়ার্কফোর্স ম্যানেজমেন্ট, গাড়ি পার্কিং, হোল্ডিং ট্যাক্স ব্যবস্থাপনা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা খাতে উদ্ভাবন নিয়ে এগিয়ে নিচ্ছে। এসব উদ্যোগ সম্পর্কে জানাতে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীতে নলেজ শেয়ারিং সেশনের আয়োজন করে বি-ট্র্যাক।

অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়, কীভাবে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম নগর সমস্যার সমাধানে সহায়তা করছে, কার্যক্রমের দক্ষতা বাড়াচ্ছে এবং একটি স্মার্ট ও সংযুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখছে।

সম্প্রতি সামরিক জাদুঘরে অ্যাপভিত্তিক পার্কিং সেবা ‘ইয়েস পার্কিং’ চালু করেছে বি-ট্র্যাক। এর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা অ্যাপ ব্যবহার করে আগাম পার্কিং স্লট বুকিং দিতে পারছেন। পাশাপাশি সরাসরি গিয়েও এজেন্টের মাধ্যমে পার্কিং সুবিধা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

নলেজ শেয়ারিং সেশনে বি-ট্র্যাক সল্যুশনস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ তানভীর সিদ্দিক প্রতিষ্ঠানটির নতুন প্রযুক্তিসেবা নিয়ে কথা বলেন।

মানুষের দৈনন্দিন জীবন সহজ করতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন সমাধান নিয়ে কাজ করছে। মবিলিটি সেবায় ‘ইয়েস পার্কিং’ ও ‘কারকোপোলো’, অফিস ব্যবস্থাপনায় ‘ওয়ার্কোপোলো’, বাসাবাড়ির নিরাপত্তায় ‘সিমো’, ‘ডোরস্টেপ’ এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষায় ‘নিরাপথ’, পরিবহন ব্যবস্থাপনা সল্যুশন ‘টিএমএস’, শিল্প কারখানা নজরদারি সিস্টেম ‘ভেলোরেট—এ ধরনের সেবা চালু করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রকল্পের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন বি-ট্র্যাক সল্যুশনসের হেড অব প্রজেক্ট শাফায়েত আবদুল্লাহ, কী-অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মো. মহিউদ্দিন এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভ মুসবিয়া শুকরানা মাহি, নাইম হোসেন ও মিনহাজুল ইসলাম রিফাত।

মোহাম্মদ তানভীর সিদ্দিক বলেন, ‘দেশীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা সবসময় সুরক্ষা ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উন্নত প্রযুক্তিগত সমাধান তৈরি করতে কাজ করছি। এর মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও আরামদায়ক করার লক্ষ্যেই আমাদের সেবার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে।’

বি-ট্র্যাকের এসব প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনগুলো এরইমধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশের মানুষই ব্যবহার করতে পারছেন।