পাবনা সদরে পলিমালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

Category: ফারমার্স এন্ড ফার্মিং প্রডাক্টস্ Written by Shafiul Azam

মোঃ গোলাম আরিফঃ ২৫ মার্চ ২০২৬ পাবনা সদর উপজেলার শানির দিয়ার গ্রামে বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় পলিমালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পাবনা'র উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রামাণিক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপপরিচালক বলেন,পলি মালচিং আধুনিক কৃষিতে অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি। যা মাটির আর্দ্রতা ধরে রেখে সেচ খরচ ৭০% পর্যন্ত কমায়। আগাছা দমন করে এবং মাটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি ফসলের দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, রোগ-পোকার উপদ্রব কমায় এবং ফলন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। যার ফলে কৃষকের উৎপাদন খরচ কমে ও মুনাফা বাড়ে। তিনি আরো বলেন, চর এলাকায় পলি মালচিং ব্যবহারে সহজেই উচ্চমূল্যের বিভিন্ন মৌসুমি ফল ও সবজি চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে। আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ায় এর ব্যবহার দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চরের বালুময় মাটিতে পানি ধারণক্ষমতা কম থাকে। পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি, মাটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, জৈব পদার্থ সরবরাহে চরের মাটিতে জৈব সার প্রয়োগের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাবনা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাকিরুল ইসলাম। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পাবনা'র জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সাইফুল ইসলাম; অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মোঃ রাফিউল ইসলাম; অত্র প্রকল্পের মনিটরিং এন্ড ইভালুয়েশন অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রাকিব হাসান। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও স্থানীয় কৃষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে কৃষকরা জানান পলি মালচিং খুবই কার্যকরী পদ্ধতি। এটি ব্যবহারের ফলে সেচ খরচ, আগাছা নিধন, শ্রমিক খরচ কম হয়। সর্বোপরি উৎপাদন খরচ কম। ফসলের গুনগত মানও ভালো। বাজারে নিলে সহজেই উচ্চমূল্যে বিক্রি করা যায়। উচ্চমূল্যের ফসলে এর ব্যবহার দিনদিন বাড়বে।

এর আগে অতিথিবৃন্দ পাবনা সদর উপজেলায় পলিসেডে ফল সবজি চারা উৎপাদনসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ও বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।