Friday, 17 November 2017

 

শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজার ফজিলত

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম,ইসলামিক ডেস্ক:শাওয়াল আরবি হিজরী বর্ষের দশম মাস। এ মাসের মর্যাদাও অত্যধিক। এ মাসে মুমিন বান্দাগণ রমজানের রোজা রাখার পর-পরই শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা পালন করে থাকেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মাসে ছয়টি রোজা রাখার জন্য তাগিদ দিয়েছেন। শাওয়াল মাসে এ রোজাগুলি পালন করলে অত্যাধিক ফজিলত পাওয়া যায়।

শাওয়াল মাসের রোজার ফজিলতের ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- ‘যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখার পর-পরই শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা পালন করে সে ব্যক্তির পূর্ণ বৎসরের রোজা রাখার সমতুল্য ছাওয়াব লাভ হয়। (মুসলিম, তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ)

শাওয়ালের রোজার উপকারিতা-
এ রোজা ফরজ নামাজের পর সুন্নাতে মুআক্কাদার মতো। যা ফরজ নামাজের উপকারিতা ও তার অসম্পূর্ণতাকে পরিপূর্ণ করে। অনুরূপভাবে শাওয়াল মাসের ৬ রোজা রমজানের ফরজ রোজার অসম্পূর্ণতা সম্পূর্ণ করে এবং তাতে কোনো ত্রুটি ঘটে থাকলে তা দূর করে থাকে। সে অসম্পূর্ণতা ও ত্রুটি কথা রোজাদার জানতে পারুক আর নাই পারুক।

তাছাড়া রমজানের ফরজ রোজা পালনের পরপর পুনরায় রোজা রাখার মানেই হল রমজানের রোজা কবুল হওয়ার একটি লক্ষণ। যেহেতু মহান আল্লাহ কোনো বান্দার নেক আমল কবুল করেন, তখন তার পরেই তাকে আরও নেক আমল করার তাওফিক দান করে থাকেন।

এ ছাড়া শাওয়ালের ছয় রোজা রাখার আরও ফায়দা হচ্ছে- অবহেলার কারণে অথবা গুনাহর কারণে রমজানের রোজার উপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে থাকে সেটা পুষিয়ে নেয়া। কেয়ামতের দিন ফরজ আমলের কমতি নফল আমল দিয়ে পূরণ করা হবে।

মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের শাওয়াল মাসে এ ৬টি রোজা রাখার তাওফিক দিন-আমিন।