Thursday, 22 February 2018

 

পশু-পাখির প্রতি সদয় হওয়ার নির্দেশনা দেয় ইসলাম

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। আর মানুষের কল্যাণে পশু-পাখি নিয়োজিত। মহান রাব্বুল আলামিন এগুলোকে মানুষের করায়ত্ত করেছেন। ইসলাম ধর্ম মতে, পশু-পাখির সঙ্গে যথাসম্ভব দয়াশীল আচরণ করতে হবে। এদের সঙ্গে যথেচ্ছ ব্যবহার করা যাবে না। পবিত্র কোরআনে অসংখ্য আয়াতে প্রাণিজগতের প্রসঙ্গ এসেছে।

'প্রাণিজগত সৃষ্টির (অন্যতম) কারণ হলো, এগুলোতে তোমরা আরোহণ করে থাকো আর এগুলো সৌন্দর্যের প্রতীক।' (সুরা নাহল, আয়াত ৮)। ইসলাম ধর্ম মতে, পশু-পাখির প্রতি নম্রতা প্রদর্শন ইবাদতের পর্যায়ভুক্ত। পশু-পাখিকে কষ্ট দেওয়া গুনাহের কাজ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'একবার এক পিপাসাকাতর কুকুর কূপের পাশে ঘোরাঘুরি করছিল। পিপাসায় তার প্রাণ বের হওয়ার উপক্রম হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ বনি ইসরাইলের এক ব্যভিচারী নারী তা দেখতে পায়। সে নিজের পায়ের মোজা খুলে কুকুরটিকে পানি পান করায়। এ কারণে তার অতীত পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।' (বুখারি : ৩৪৬৭)।

অন্য হাদিসে এসেছে, 'একজন মহিলা একটি বিড়ালকে বেঁধে রেখেছিল। সে তাকে খাবার দিত না আবার ভূখণ্ডে বিচরণ করে খাবার সংগ্রহের সুযোগও দিত না। এ কারণে তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছে।' (বুখারি : ৩৩১৮) অন্যত্র এসেছে : 'যেকোনো প্রাণীর ওপর দয়া করার মধ্যেও সওয়াব আছে।' (বুখারি : ৬০০৯)।

কাজেই আমাদের সকলকে গৃহপালিত পশু-পাখি থেকে শুরু করে বানিজ্যিক খামারের লালিত-পালিত পশু-পাখিগুলির প্রতি সময়মতো খাবার-পানি, সঠিক সময়ে চিকিৎসা, ভালো বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। আর এটি হলো ইসলামের শিক্ষা।