Monday, 20 August 2018

 

ধৈর্য ধারণ ও সহিষ্ণুতার পথ অবলম্বন করাই ইসলামের আদর্শ

ইসলামিক ডেস্ক:একটি নির্দষ্ট সময় পর্যন্ত পৃথিবীতে মানুষের অবস্থান করে। এসময়ে মানুষকে সমাজে নানান ধরনের লোকের সাথে চলাফেরা করতে হয়। জীবনযাপনের জন্য অনেকের সাথে লেনদেন সহ বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কাজকর্মে জড়িত হতে হয়। একসাথে বসবাস করতে গিয়ে অনেক সময় সম্পর্কের টানাপোড়েন, অসংলগ্ন ও অবাঞ্ছিত আচরণের ফলে অযাচিত অবস্থার সৃষ্টি হবে। এসব মুহূর্তে নিজেকে সংযত রাখা, ধৈর্য ধারণ করা ও সহিষ্ণুতার পথ অবলম্বন করাই ইসলামের আদর্শ।

এসম্পর্কে সম্পর্কে আল্লাহর বাণী, "বলুন, হে আমার বিশ্বাসী বান্দাগণ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় করো। যারা এ দুনিয়াতে সত্কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে পুণ্য। আল্লাহর পৃথিবী প্রশস্ত। যারা ধৈর্যশীল, তারাই তাদের পুরস্কার পায় অগণিত" (সূরা যুমার-১০)। আল্লাহ রব্বুল আলামীন অন্যত্র বলেন, "হে ঈমানদারগণ! ধৈর্যধারণ করো এবং ধৈর্যের মোকাবেলায় দৃঢ়তা অবলম্বন করো। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক, যাতে তোমরা তোমাদের উদ্দেশ্য লাভে সমর্থ হতে পার" (সূরা ইমরান-২০০)।

মহান রাব্বুল আলামিন আরো বলেন, "আর আল্লাহ ও তাঁর রসূলের ইত্তেবা করো। তোমরা পরস্পরে বিবাদে লিপ্ত হয়ো না। যদি তা করো, তবে তোমরা সাহস হারাবে এবং তোমাদের শক্তি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আর তোমরা ধৈর্যধারণ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন" (সূরা আনফাল-৪৬)।

ইসলাম ক্ষমা ও সহিষ্ণুতার যে নজির দেখিয়েছে তা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। ইসলামের সৌন্দর্যবোধ ধৈর্য ও ক্ষমার মধ্য দিয়েই বিকশিত হয়েছে। আমরাও বিপদে আপদে ধৈর্য ধরি। অসীম সাহসিকতার মধ্য দিয়ে বিপদকে মোকাবেলা করি। মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করুন-আমিন