Tuesday, 20 February 2018

 

শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জীবনে একবার হজ পালন ফরজ

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম, ইসলামিক ডেস্ক:হজ ইসলাম ধর্মাবলম্বী তথা বিশ্ব মুসলিমের জন্য জন্য একটি আবশ্যকীয় (ফরজ) ইবাদত। এটি ইসলাম ধর্মের পঞ্চম স্তম্ভ। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য সমগ্র জীবনে একবার হজ সম্পাদন করা ফরজ বা আবশ্যক। দেশ-বিদেশের মুসলিম উম্মাহ হজ পালনের জন্য বর্তমান সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার উদ্দেশ্যে অনেকেই রওয়ানা হয়েছেন এবং অনেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

২৬ জুলাই থেকে পবিত্র জিলকদ মাস গণনা শুরু

এগ্রিলাইফ৪ ডটকম, ইসলামিক ডেস্ক:বাংলাদেশের আকাশে ২৪ জুলাই সোমবার ১৪৩৮ হিজরি সনের পবিত্র জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ২৫ জুলাই ২০১৭ খ্রি. পবিত্র শাওয়াল মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী ২৬ জুলাই ২০১৭ খ্রি. বুধবার থেকে পবিত্র জিলকদ মাস গণনা শুরু হবে।

তাকওয়া মানুষকে পাপ থেকে দূরে রাখে

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম,ইসলামিক ডেস্ক:তাকওয়াই মানুষকে পাপ থেকে দূরে রাখে। আর আমরা আজ কোথায়? তাই সুন্দর সমাজ, সুদ-ঘুষ, জিনা-ব্যাভিচার মুক্ত সমাজ পেতে চাইলে আমাদের তাকওয়া অবলম্বন করতে হবে। আর আল্লাহর কাছে তারাই অধিক প্রিয় ,যারা অধিক তাকওয়াবান,হোক সে রিক্সাচালক,শ্রমিক-মজুর কিংবা ধনী। কারণ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেন- إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ

বৃষ্টি আল্লাহ তায়ালার নেয়ামত-প্রকৃতিকে ঠিক রাখতে এসময় বৃক্ষরোপণ করুন

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম, ইসলামিক ডেস্ক: চলছে বর্ষাকাল। এসময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। এর ফলে মাটির শক্তি ও উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। বৃক্ষ, লতাপাতা ও পাহাড়-পর্বত সজীব হয়ে ওঠে। বৃক্ষরোপণের জন্য উপযুক্ত সময় হচ্ছে। কাজেই প্রকৃতিকে ঠিক রাখতে আপনি এসময় যতটা সম্ভব বৃক্ষরোপণ করে পরিবেশকে সজীব করে তুলুন।

শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজার ফজিলত

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম,ইসলামিক ডেস্ক:শাওয়াল আরবি হিজরী বর্ষের দশম মাস। এ মাসের মর্যাদাও অত্যধিক। এ মাসে মুমিন বান্দাগণ রমজানের রোজা রাখার পর-পরই শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা পালন করে থাকেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মাসে ছয়টি রোজা রাখার জন্য তাগিদ দিয়েছেন। শাওয়াল মাসে এ রোজাগুলি পালন করলে অত্যাধিক ফজিলত পাওয়া যায়।

শাওয়াল মাসের রোজার ফজিলতের ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- ‘যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখার পর-পরই শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা পালন করে সে ব্যক্তির পূর্ণ বৎসরের রোজা রাখার সমতুল্য ছাওয়াব লাভ হয়। (মুসলিম, তিরমিজি, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ)

শাওয়ালের রোজার উপকারিতা-
এ রোজা ফরজ নামাজের পর সুন্নাতে মুআক্কাদার মতো। যা ফরজ নামাজের উপকারিতা ও তার অসম্পূর্ণতাকে পরিপূর্ণ করে। অনুরূপভাবে শাওয়াল মাসের ৬ রোজা রমজানের ফরজ রোজার অসম্পূর্ণতা সম্পূর্ণ করে এবং তাতে কোনো ত্রুটি ঘটে থাকলে তা দূর করে থাকে। সে অসম্পূর্ণতা ও ত্রুটি কথা রোজাদার জানতে পারুক আর নাই পারুক।

তাছাড়া রমজানের ফরজ রোজা পালনের পরপর পুনরায় রোজা রাখার মানেই হল রমজানের রোজা কবুল হওয়ার একটি লক্ষণ। যেহেতু মহান আল্লাহ কোনো বান্দার নেক আমল কবুল করেন, তখন তার পরেই তাকে আরও নেক আমল করার তাওফিক দান করে থাকেন।

এ ছাড়া শাওয়ালের ছয় রোজা রাখার আরও ফায়দা হচ্ছে- অবহেলার কারণে অথবা গুনাহর কারণে রমজানের রোজার উপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে থাকে সেটা পুষিয়ে নেয়া। কেয়ামতের দিন ফরজ আমলের কমতি নফল আমল দিয়ে পূরণ করা হবে।

মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের শাওয়াল মাসে এ ৬টি রোজা রাখার তাওফিক দিন-আমিন।