Sunday, 19 November 2017

 

কৃষি জমি রক্ষা করা না গেলে ভবিষ্যতে দেশ খাদ্য সংকটে পড়বে-গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

কৃষি ফোকাস ডেস্ক:জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে আবাসন চাহিদাও বাড়ছে। বাড়তি এ চাহিদা পূরণ করতে প্রতিনিয়তই কৃষি জমির ওপর চাপ বাড়ছে। এ ছাড়াও শিল্পায়ন ও নগরায়ণের কারণেও কৃষি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। তাই কৃষি জমি সুরক্ষায় আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। কৃষি জমি রক্ষা করা না গেলে ভবিষ্যতে দেশ খাদ্য সংকটে পড়বে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ২৭ মঙ্গলবার ডিসেম্বর তাঁর মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষি জমি রক্ষাকল্পে পরিকল্পিত গ্রাম-নগরায়ণ ও গৃহায়ন’ শীর্ষক জাতীয় ভিত্তিক সুপারিশ উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। ইনস্টিটিউট অভ্ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অভ্ বাংলাদেশ (আইডিইবি) এ সুপারিশ প্রণয়ন করেছে।

মন্ত্রী বলেন, খাদ্য চাহিদার মতো বাসস্থানও মানুষের মৌলিক চাহিদা। এ চাহিদা পূরণ করতে হলে পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তোলার বিকল্প নেই। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষি জমি সুরক্ষা করতে পরিকল্পিত গ্রাম গড়ে তোলা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রেও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পরিবারিক জমিতে পরিকল্পিত আবাসিক ভবন নির্মাণ করে নির্মাণ ব্যয় দীর্ঘমেয়াদি কিস্তিতে পরিশোধের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

আইডিইবি’র সুপারিশমালায় অনুর্বর জমিতে শিল্পকারখানা স্থাপন, অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা, কৃষি জমির জোনিংম্যাপ প্রস্তুত করাসহ বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। সুপারিশমালা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে আইডিইবি’র সভাপতি জানান।

উপস্থাপন অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আখতার হোসেন, রাজউকের সদস্য মো. আব্দুর রহমান, আইডিইবি’র সভাপতি এ কে এম এ হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
-পিআইডি’র সৌজন্যে