Monday, 18 December 2017

 

অফিস ও মাঠে প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই-অতিরিক্ত কৃষি সচিব

নুপুর ধর:"অফিস ও মাঠে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। তুলা'র কোন বিকল্প হতে পারে না। তুলা উৎপাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে গুরুত্বের সাথে গবেষণা, উৎপাদন ও সম্প্রসারণের কাজ করতে হবে।১ ৬ জানুয়ারী সোমবার সকাল ১১টায় খামারবাড়িস্থ তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন  সম্প্রসারিত তুলা চাষ প্রকল্প (ফেজ-১) এর আয়োজনে "modern office management and quality cotton production" শীর্ষক পাঁচ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব মোঃ সিরাজুল হায়দার এনডিসি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের ভালো কাজ ও উদ্ভাবনী শক্তিগুলোকে তুলে ধরতে হবে। তারা অনেক ভালো কাজ করছে যা অনেকেই জানে না। কাজেই এগুলোকে সঠিকভাবে তথ্য সহকারে তুলে ধরলে সকলেই উপকৃত হবে। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহনকারীরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্পর্কে সম্যক ধারন লাভ করবেন পরে তিনি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধনের ঘোষণা দেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আখতারুজ্জামান, উপপরিচালক (সদর দপ্তর) কৃষিবিদ ড. তাসদিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সম্প্রসারিত তুলা চাষ প্রকল্প (ফেজ-১) এর প্রকল্প পরিচালক ড. গাজী গোলাম মর্তুজা। এরপর সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. কামরুল হাসান তুলা উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন কার্যক্রম, গবেষণা কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নিয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন।

বিশেষ অতিথি'র বক্তব্যে উপপরিচালক (সদর দপ্তর) কৃষিবিদ ড.তাসদিকুর রহমান বলেন," তুলা উন্নয়ন বোর্ড পরিবার আন্তরিকভাবে কাজ করতে আগ্রহী। কিন্তু জনবল সকট ও অন্যান্য বিভিন্ন সমস্যার কারনে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। "তিনি এসব সমস্যা সমাধানের জন্যও প্রধান অতিথি'র দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বিশেষ অতিথি'র বক্তব্যে কৃষিবিদ মোঃ আখতারুজ্জামান বলেন,জলবায়ূগত কারনে চাষীদের তুলা উৎপাদনে নানা সমস্যায় পড়তে হয় যা মোকাবেলা করা জরুরী।

সভাপতির বক্তব্যে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক কৃষিবিদ ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, "তুলা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ও কৃষকের সাবলম্বীতা অর্জনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফসল। বাংলাদেশ বর্তমানে সর্বোচ্চ আমদানিকারক দেশ। পাহাড়ী ও বরেন্দ্র এলাকায় অন্য ফসল উৎপাদনের কোন ক্ষতি ছাড়াই তুলা চাষের মাধ্যমে অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটানো সম্ভব। মাটির গুণাগুন ও অন্যান্য বিষয়ে উচ্চতর গবেষণা প্রয়োজন। এজন্য তুলা উন্নয়ন বোর্ডে আরও দক্ষ জনবল নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

তুলা উন্নয়ন বোর্ডের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোফাজ্জল হোসেন জানান তুলা চাষ সম্প্রসারন প্রকল্পের আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে মোট ৩০ জন প্রথম শ্রেণীর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অংশগ্রহন করছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কৃষিবিদ মাহমুদ হাসান।