Monday, 18 December 2017

 

KIB’র নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটিকে সংবর্ধনা প্রদান করলো ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপ

নিজস্ব প্রতিবেদক:কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ এর নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর কার্যনির্বাহী কমিটিকে সংবর্ধনা প্রদান করলো ন্যাশনাল "এগ্রিকেয়ার গ্রুপ"। ১৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দেশের অন্যতম প্রধান কৃষিভিত্তিক এ শিল্প প্রতিষ্ঠানটি।

শুরুতেই নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর কার্যনির্বাহী কমিটিকে ফুলেল শুভেচ্ছায় অভিষিক্ত করেন কোম্পানীর উর্ধতন কর্মকর্তারা। এরপর গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কৃষিবিদ কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান অনুষ্ঠানে আগত KIB’র নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর কার্যনির্বাহী কমিটি’র নেতৃৃবন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার ২০০২ সাল থেকে কৃষি শিক্ষা, গবেষণা ও সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে কৃষকের বিশ্বস্থতা অর্জন করেছে। কৃষক থেকে শুরু করে কৃষিবিদ তথা দেশের সকল পর্যায়ে সকলের আন্তরিক সহযোগিতার কারণে ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপ আজ এ অবস্থানে আসতে পেরেছে। এজন্য তিনি সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর কমিটি'র যোগ্য নেতৃত্ব কৃষি ও কৃষক তথা কৃষিবিদদের কল্যানে আরও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন কৃষিবিদ কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি কৃষিবিদ জনাব এ এম এম সালেহ এরকম সুন্দর একটি আয়োজনের জন্য ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপকে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন কৃষিবিদ তথা দেশ ও জাতির স্বার্থে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। তিনি মনে করেন কৃষিবিদদের অনেক কাজ করার সুযোগ আছে। নতুন কমিটি ধাপে ধাপে কৃষিবিদদের উন্নয়নে কাজ করে যাবে।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি'র মহাসচিব কৃষিবিদ জনাব মো:খায়রুল আলম (প্রিন্স) তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন নতুন কমিটি ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত হয়ে সত্যিই আনন্দিত। তিনি ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে কৃষিবিদ কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমানের কৃষিবিদ সহপাঠী বন্ধুদের মধ্যে কয়েকজন শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। সকলেই তাঁদের বন্ধুর এমন সুন্দর একটি আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন "ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপ" তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের কৃষিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এমন  কৃষিবিদ বন্ধুর জন্য সত্যিই তারা আজ গর্বিত। শুভেচ্ছা বক্তব্যে তারা বিশেষভাবে উল্লেখ করে বলেন কেবল ব্যবসার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ন্যাশনাল "ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপ" সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নানা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করেছে যা সকল মহলে ইতিমধ্যেই প্রশংসিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের মাঝে ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার ইমপোর্ট ও এক্সপোর্ট কোম্পানির বিভিন্ন কার্যক্রমের উপর বিশেষ একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টশন করেন উপস্থাপন করেন মার্কেটিং ম্যানেজার কৃষিবিদ খন্দকার মকবুল হোসেন।

অনুষ্ঠানে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির কোষাধ্যক্ষ কৃষিবিদ এম আমিনুল ইসলাম, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ ঢাকা মেট্রোপলিটন শাখার সভাপতি কৃষিবিদ মো: লিয়াকত আলী জুয়েল, সাধারন সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মো: তাসদিকুর রহমান (সনেট)) সহ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ এর নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর কার্যনির্বাহী কমিটির প্রায় সকলে অংশগ্রহন করেন। পরে সকলে মিলে এক নৈশভোজে অংশগ্রহন করেন।

উল্লেখ্য, দেশের বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, পণ্য উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জাতীয় আয় বৃদ্ধিসহ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান পালনকারী এ প্রতিষ্ঠানটিয মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে "ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার ইমপোর্টস এন্ড এক্সপোর্টস" ২০১৪ সালের রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন অর্জন করে। এছাড়া, কৃষিবিদ কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান  ইতিপূর্বে বাংলাদেশের কৃষির উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০১৩ সালের জন্য বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) সম্মানে ভূষিত হন।

তাঁর প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপ-মান সম্পন্ন বালাইনাশক, সার, বীজ, সৌর বিদ্যুৎ, ঔষধ শিল্প, রিয়েল এস্টেট ও অন্যান্য ব্যবসা সফলতার সাথে পরিচালনা করে আসছে। এ ছাড়াও তার প্রতিষ্ঠিত সৈয়দ মোমেনা মোন্তাজ ফাউন্ডেশন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দরিদ্র জনগোষ্টির জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩ তম ব্যাচের ছাত্র ও নাট্য সংগঠন কিষাণ থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কৃষিবিদ মোস্তাফিজুর রহমানের ওয়ান ফার্মা দাম সহনীয় রেখে দরিদ্র মানুষের মাঝে ওষুধ পৌঁছে দিতে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উন্নত প্রযুক্তির এবং ভ্যাকসিন ও ইনসুলিন উৎপাদনের মাধ্যমে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ওয়ান ফার্মা।