Tuesday, 19 September 2017

 

কৃষি প্রযুক্তিগুলোকে সংরক্ষণ করতে হবে : বাকৃবি উপাচার্য

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি:বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বৃহস্পতিবার কৃষি সংশ্লিষ্ট নানা প্রযুক্তির উদ্ভাবন, সম্প্রসারণ, ব্যবসায় উদ্যোক্তা এবং দেশের উৎপাদিত পণ্যর মেধাস্বত্ত্ব সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০ টার  দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে ওই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কৃষি অনুষদের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.মো. আলী আকবর। উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, জ্ঞান শুধু অর্জন করলেই নয়, তা ব্যবহারকারীদের মধ্য ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ টেনে বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে প্রতি বছর দূর্ভিক্ষ হত। কিন্ত এখন তা আর হয় না।

তিনি বলেন, প্রতিবছর দেশের জনসংখ্যা ক্রমবর্ধমানভাবে বাড়লেও কমেছে ফসলী জমির পরিমান। তারপরেও বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। এর পিছনে কাজ করেছে কৃষি গ্রাজুয়েটদের আবিষ্কৃত কৃষি প্রযুক্তি এবং কৃষিজাত পণ্যের উদ্ভাবন। এই উদ্ভাবনগুলো আমাদের ব্যক্তিগত প্রযুক্তি। আমাদের এ প্রযুক্তিগুলোর মেধাসত্ত্ব নকল করার অধিকার কারো নেই। তবে সময়মত এগুলো মেধাসত্ত্ব অধিকার সংরক্ষণ না করতে পারলে এগুলোকে আমাদের বলে দাবি করতে পারা কঠিন হবে। দ্রুতসময়ে এগুলোকে মেধাসত্ত্ব সংরক্ষণ করার আহবান জানান।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ টুয়েন্ট অ্যান্ড মাচটিস স্কুল অফ ম্যানেজমেন্ট আন্তজার্তিক উদোক্তা উন্নয়ন বিশষজ্ঞ ভিনদ মরার ও ভারতের জিবি পান্ট ইউনিভার্সিটি অফ এগ্রিকালকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির জেনেটিক্স ও প্লান্ট ব্রিডিং ডিপার্টমেন্টের প্রধান অধ্যাপক ড. হারভিনদার সিং চাওলা। ভিনদ মরার তার বক্তব্যে বলেন, নেদারল্যান্ড মাথাপিছু আয়ে বিশ্বের সেরা একটি দেশে পরিণত হয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর না হওয়ার পরও এমনটি হতে পেরেছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এমন জায়গায় যাওয়ার সুযোগ আরও বেশি।

এছাড়াও কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়য়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান। কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম।