Friday, 15 December 2017

 

দেশে মোট আমিষের ১৫ ভাগ আসে প্রাণিজ আমিষ থেকে-BSAPER এর আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি:বাংলাদেশ সোসাইটি ফর এ্যানিমেল প্রোডাকশন এডুকেশন এ্যান্ড রিসার্চ (বিএসএপিইআর) এর চতুর্থ আন্তর্জাতিক সম্মেলন শনিবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ওই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

বিএসএপিইআর এর সভাপতি অধ্যাপক ড. নজমুল হাসানের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এ্যানিমেল হ্যাজবেন্ড্রি এসোসিয়েশনের (বাহা) সভাপতি অধ্যাপক ড. সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন, পশুপালন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ আলী, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. এরিক ব্রম, যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) প্রধান উপদেষ্টা জউফ জে. ওয়াকার। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন  করেন ডেয়রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম। এছাড়াও সেমিনারে দিনব্যাপী দুটি টেকনিক্যাল সেশনে ২১টি মৌখিক ও ১৫টি পোস্টার উপস্থাপনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান বলেন, প্রাণির উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মানুষের পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সমন্বিত ভাবে কাজ করতে হবে। সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষদের জন্য দৈনিক ৬০-৭০ গ্রাম ও নারীদের জন্য দৈনিক ৫০-৬০ গ্রাম প্রাণিজ আমিষ প্রয়োজন। কিন্তু উন্নত দেশে মোট আমিষের দৈনিক চাহিদার ৭০ শতাংশ আসে প্রাণিজ আমিষ থেকে। যেখানে আমাদের দেশে মোট আমিষের প্রায় ১৫ ভাগ আসে প্রাণিজ আমিষ থেকে। অর্থাৎ দেশে প্রাণিজ আমিষের বিপুল পরিমাণ ঘাটতি রয়েছে।

বক্তারা আরো প্রাণিজ আমিষ কম গ্রহণের কারণে আমরা জাতীয় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছি। এ কারণে প্রাণিসম্পদ ও পোল্ট্রি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। দেশের প্রাণিসম্পদ ও পোল্ট্রি উৎপাদন বৃদ্ধিতে বছরব্যাপী পশু খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণ, জাতীয় পশুসম্পদ নীতি বাস্তবায়ন ও রোগ প্রতিরোধ করাসহ বিভিন্ন রকমের পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ জানান তারা।