Friday, 15 December 2017

 

কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কার্যকর কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ

কৃষি ফোকাস ডেস্ক: রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণের লক্ষ্যে এশিয়ার দেশগুলোতে সমন্বিত উৎপাদন ব্যবস্থা চালুর তাগিদ দিয়েছেন উৎপাদনশীলতা বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, প্রায় অভিন্ন ভূ-প্রকৃতি ও জলবায়ুর ফলে এশিয়ার দেশগুলোতে সমন্বিত উৎপাদন ব্যবস্থা পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা সম্ভব। এ পদ্ধতির প্রয়োগ এশিয়া অঞ্চলে কৃষি উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারেও ইতিবাচক অবদান রাখবে।

জাপানভিত্তিক এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এপিও) এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) এর যৌথ উদ্যোগে এশিয়ার দেশগুলোতে ‘সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সফল দৃষ্টান্ত’ শীর্ষক পাঁচ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. দাবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে এনপিও’র পরিচালক ও যুগ্ম সচিব এস এম আশরাফুজ্জামান এবং এপিও’র প্রতিনিধি ড. শেখ তানভীর হোসেন বক্তব্য রাখেন।   

বক্তারা বলেন, কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। প্রায় ১৬ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশ এখন দানাদার খাদ্য শস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। সমন্বিত উৎপাদন ব্যবস্থা পদ্ধতির আওতায় একই সাথে ধান, হাঁস ও মাছের চাষ, খাদ্যশস্য ও প্রাণি সম্পদ উৎপাদন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহীত ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির ভিত্ শক্তিশালী হয়েছে।

বক্তারা আরো বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে সমন্বিত উৎপাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির মাধ্যমে এশিয়া অঞ্চলে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কার্যকর কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

উল্লেখ্য, পাঁচ দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এশিয়ার ১৩টি দেশ থেকে ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থী এবং অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন, ভারত ও স্বাগতিক বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনশীলতা বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন।--পিআইডি’র সৌজন্যে