Thursday, 14 December 2017

 

প্রকৃত অর্থে খাদ্যে স্বয়ংসর্ম্পূনতা লাভ করতে হলে প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বাড়াতে হবে

বিএলআরআই এর দুইদিন ব্যাপী কর্মশালার সমাপ্তি অনুষ্ঠানে-খন্দকার আজিজুল হক আরজু, এমপি
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:প্রকৃত অর্থে খাদ্যে স্বয়ংসর্ম্পূনতা লাভ করতে হলে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিমের অর্থাৎ প্রাণিজ আমিষের উৎপাদন বাড়াতে হবে। পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদের বর্তমান সমস্যা নিরসনে এ খাতে আরো গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবনগুলো গ্রাম বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য ব্যবহার করতে হবে। ৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক আয়োজিত দুইদিন ব্যাপী ‘‘বার্ষিক রিসার্চ রিভিউ ওয়ার্কশপ-২০১৭ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার আজিজুল হক আরজু, এমপি, ও সদস্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি আরো বলেন দুইদিনের এই কর্মশালার আলোকে যে, সুপারিশমালা প্রণয়ন করা হলো সেগুলি বাস্তবায়ন করার জন্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটিসহ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. তালুকদার নূরুন্নাহার এর সভাপতিত্বে দুইদিন ব্যাপী কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. সৈয়দ শাখাওয়াত হোসাইন, সাবেক উপাচার্য, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রফেসর ড. আবু সালেহ মাহফুজুল বারি, সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারী এন্ড এ্যানিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. আবু সালেহ মাহফুজুল বারি বলেন বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গবেষণার কোন বিকল্প নেই। প্রফেসর ড. সৈয়দ শাখাওয়াত হোসাইন বলেন গবেষণা কার্যক্রমে বিজ্ঞানী ও শিক্ষকের সমন্বয় থাকা একান্ত জরুরী। এ ক্ষেত্রে বিশ্ব বিদ্যালয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সভাপতির বক্তব্যে ড. তালুকদার নূরুন্নাহার বলেন, SDG ও সরকারের ভিশণ-২০২১কে সামনে রেখে আমরা গবেষণা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। বিএলআরআই স্বল্প সংখ্যক বিজ্ঞানী নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দুইদিন ব্যাপী কর্মশালায় আমরা ৫৮টি গবেষণা প্রবন্ধের মধ্যে ৩৭টি উপস্থাপন করা হয়েছে এবং ২১টি পোস্টারের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়েছে। এই কর্মশালায় দেশের পোল্ট্রি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে অংশ গ্রহণকারিদের পরামর্শে গবেষণা কার্যক্রম আরো ফলপ্রসু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।
    
কর্মশালায় উপস্থাপিত প্রবন্ধ থেকে ৬ জন বিজ্ঞানীকে বেস্ট পেজেন্টার সম্মাননা দেয়া হয়।