Monday, 25 June 2018

 

পাট শিল্পের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে-রাষ্ট্রপতি

কৃষি ফোকাস ডেস্ক:পাট শিল্পের উন্নয়নে সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এ কথা বলেন। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে আজ দ্বিতীয়বারের মতো ‘জাতীয় পাট দিবস-২০১৮’ পালিত হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সোনালি আঁশ হিসেবে খ্যাত পাটের সাথে বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। এ দেশের সংস্কৃতি ও কৃষ্টির সাথে মানানসই পাট ও পাটজাত পণ্য দেশে যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বিশ্ববাজারেও এটি একটি অনন্য পরিবেশ-বান্ধব পণ্য হিসেবে সমাদৃত। তাই কৃত্রিম তন্তুর পরিবর্তে পাটের ব্যবহার পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয় পাটকলসমূহের আধুনিকায়নসহ এ খাতের অতীত গৌরব ফিরিয়ে আনতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের অভ্যন্তরে পাটের চাহিদা বাড়াতে ইতিমধ্যে 'পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ এবং ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা, ২০১৩' কার্যকর করা হয়েছে। প্রণয়ন করা হয়েছে পাট আইন-২০১৭।

বাণীতে তিনি বলেন, পাটপাতা থেকে পানীয়, পাটের আঁশ থেকে ভিসকস ও পচনশীল পরিবেশ-বান্ধব ‘সোনালি ব্যাগ’, জিও জুট টেক্সটাইল, পাটকাঠি থেকে চারকোলসহ ২৩৫ প্রকারের পাটের বহুমুখী ব্যবহারের ফলে পাটের সোনালি অতীত ফিরে আসতে শুরু করেছে। পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্য ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে পাটশিল্পের বিকাশও ত্বরান্বিত হবে। রাষ্ট্রপতি আশা করেন এর ফলে পাট চাষিগণ পাটের ন্যায্যমূল্য পাবে এবং পাট ও পাটজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।’

বাণীতে রাষ্ট্রপতি ‘জাতীয় পাট দিবস ২০১৮’র সার্বিক সাফল্য কামনা করেছেন।