Saturday, 18 November 2017

 

বরিশালে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সমকালীন কৃষি ডেস্ক:চাষি পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের উদ্যোগে দিনব্যাপি এক আঞ্চলিক কর্মশালা ৮ মার্চ বুধবার সাগরদিস্থ ব্রি’র সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্প পরিচালক মো. ছারওয়ার জাহানের সভাপতিত্বে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ওমর আলী শেখ।

তিনি বলেন, ধান আমাদের প্রধান ফসল হলেও গম এবং পাটের প্রতিও  সমান গুরুত্ব দিতে হবে। ক’দিন আগে হয়ে যাওয়া বৃষ্টিপাতের কারণে  গমে ব্লাস্টের আক্রমণ যেনো না হয় সে জন্য কৃষকের জমিতে (শতভাগ) ছত্রাকনাশক স্প্রে  করার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি সংরক্ষণের জন্য রোগমুক্ত বীজ ব্যবহারে কৃষকের সচেতনতা বাড়াতে হবে।

সভাপতির বক্তৃতায় প্রকল্প পরিচালক বলেন, প্রকল্প আওতাধীন ধান, গম ও পাটের বীজ উৎপাদনের প্রদর্শনীগুলোতে লাইন সোয়িং, অতন্ত জরিপ, পানি ও সার ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা হলে আশানুরূপ উৎপাদন পাওয়া সম্ভব। উপজেলা কৃষি অফিসারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জীবনের সব কাজ ভালো নাও হতে পারে। অন্তত এমন কিছু  করা উচিত, যা মানুষ চিরদিন স্মরণ রাখে। বীজ সংরক্ষণ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে করা হয় কীনা সে বিষয়ে তিনি ফলো-আপের পরামর্শও দেন।

বানারীপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার  মো. অলিউল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ শংকর চন্দ্র ভৌমিক, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন, ডিএই বরিশালের উপপরিচালক রমেন্দ্র নাথ বাড়ৈ, ঝালকাঠির উপপরিচালক শেখ আবু বকর সিদ্দিক, বরগুনার উপপরিচালক সাইনুর আজম খান, উপ-প্রকল্প পরিচালক সুরজিত সাহা রায়, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সালেউদ্দিন, ডিএই বরিশালের অতিরিক্ত উপপরিচালক মাহমুদুল ফারুক, ঝালকাঠির অতিরিক্ত উপপরিচালক আজগর আলী, পটুয়াখালীর অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. আবদুল অদুদ খান, নেছারাবাদের উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রিফাত সিকদার, ভোলা সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রিয়াজ উদ্দিন প্রমুখ ।

এতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ব্রি, বারি, কৃষি তথ্য সার্ভিস,  বিএডিসি, এটিআই, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, বিজেআরআই, হর্টিকালচার সেন্টারসহ কৃষি সংশ্লিষ্ট  বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১০০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
-কৃষি তথ্য সার্ভিসের সৌজন্যে