Tuesday, 19 September 2017

 

খাদ্য নিরাপত্তার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশ অগ্রগতি লাভ করছে-খাদ্যমন্ত্রী

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম ডেস্ক:খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করেই বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতি লাভ করছে। এক সময় দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল। বর্তমানে আমরা তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি।

২১ মার্চ মঙ্গলবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক খাদ্য ভবনে আয়োজিত ‘ঝুকি ভিত্তিক খাদ্য পরিদর্শন প্রশিক্ষণ কর্মশালা’র উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হয়েছেন। এখন আর উত্তরবঙ্গে মঙ্গা নেই। মানুষ আর না খেয়ে মারা যায় না। মন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা মানুষের সাংবিধানিক আধিকার। আর এ আধিকার নিশ্চতকরণে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। এতদিন নিরাপত্তার কাজটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন সংস্থা বিচ্ছিন্নভাবে করতো। এসকল বিভিন্ন সংস্থার কাজকে সমন্বয় করার মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থাকে একই ছাতার নিচে আনার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। ১৮ টি মন্ত্রণালয় এবং ৪৮০ টি সংস্থা এ কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।  

মন্ত্রী বলেন, খাদ্য-দ্রব্যের মান পরীক্ষা করার লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি বিভাগে ১টি করে ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করা হবে। মন্ত্রী উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই প্রশিক্ষণ নেয়ার পর প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীদের প্রথম কাজ হবে মানুষকে সচেতন করা। যারা ভেজালযুক্ত খাবার ও ভেজালযুক্ত পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই MDG’র অধিকাংশ লক্ষ্যই পূরণ করেছি এবং SDG’র লক্ষ্যও পূরণ করার পথে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যার মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব কায়কোবাদ হোসেন, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. বদরুল হাসানসহ খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।     

উল্লেখ্য, এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে মোট ১৩৬ জন পরিদর্শককে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। যারা প্রশিক্ষণ শেষে মাঠ পর্যায়ে কাজ করবে।