Thursday, 14 December 2017

 

প্রিমিয়াম ব্রান্ডেড গ্রিন চিকেনের স্বাদ এখন হাতের নাগালে

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকমঃপ্রতি সপ্তাহে ২৫ হাজার গ্রীন চিকেন ভোক্তাদের মাঝে সরবরাহের লক্ষ নিয়ে এজি ফুড তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। অত্যাধুনিক ইউরোপিয়ান প্রযুক্তির প্রসেসিং প্লান্ট থেকে প্রক্রিয়াজাত হয়ে প্রিমিয়াম ব্রান্ডেড গ্রিন চিকেন এর স্বাদ এখন ভোক্তাদের হাতের নাগালে। এমনটাই জানালেন এজি এগ্রো ফুডস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জনাব লুৎফর রহমান ।

এ প্রসঙ্গে তিনি এগ্রিলাইফ২৪ ডটকমকে বলেন, দেশে  চাহিদার বিপরীতে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ব্রয়লার মাংস ভোক্তাদের নিকট উপস্থাপন করতে তারা দীর্ঘদিন থেকে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন । সে লক্ষে ২০১৪ সালের মাঝামাঝিতে নিয়মিত ব্রয়লার উৎপাদন ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে গ্রিন চিকেন উৎপাদনের ভাবনা নিয়ে কাজ শুরু করে এজি গ্রুপ।

কৃষিবিদ জনাব লুৎফর রহমান বলেন গ্রীন চিকেনকে সম্পূর্ণ প্রাণিজ আমিষ ও এন্টিবায়োটিক মুক্ত খাবার খাওয়ানো হয়। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব হাউজে পালন করার পর সর্বোৎকৃষ্ট ইউরোপিয়ান মেশিনে হালাল এবং আইএসও ২২০০০:২০০৫ স্ট্যান্ডার্ড মেনে প্রসেস করে বাজারজাত করা হয়।

এজি ফুডের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট কনসালট্যান্ট কৃষিবিদ জনাব আখতারুজ্জামান এ প্রসঙ্গে জানান গ্রিন চিকেন উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত এবং বাজারজাতকরনের প্রতিটি ধাপে তারা মেনে চলেছেন ফুড সেফটির আন্তর্জাতিক প্রতিটি নিয়ম। তিনি আরো বলেন ভোক্তা ও সময়ের চাহিদা অনুযায়ী  প্রিমিয়াম ব্রান্ডেড গ্রিন চিকেন দেশের সকল শ্রেণীর ভোক্তাদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাবে।

ভোক্তারা কিভাবে গ্রীন চিকেন হাতের নাগালে পাবেন জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) জনাব এ এম এম নুরুল আলম জানান সরাসরি তারা

  • আহসান টাওয়ার,৭৬, বীর উত্তম, এ. কে. খোন্দকার রোড, মহাখালী,
  • ১২১, পুরাতন জীবন বীমা ভবন, মতিঝিল
  • ১২/এ, অতীশ দিপঙ্কর রোড, মধ্য বাসাবো সবুজবাগ এবং
  • সিটি সেন্টার-প্লট: ৩/এ, মিরপুর-১ আউটলেট থেকে এটি ক্রয় করতে পারবেন।

এছাড়া হোম ডেলিভারীর জন্য ০১৭৭৭৭৩৫১৯০ এবং কর্পোরেট ডেলিভারী, ০১৭০৮৪৫৮৭৩১-তে কল করে গ্রীন চিকেনের অর্ডার দিতে পারবেন।

এদিকে গ্রীন চিকেন সম্পর্কে বেশ কয়েকজন ভোক্তার সাথে আলাপকালে তারা জানান বর্তমান সময়ে এজি এগ্রোর এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক। মানুষের মাঝে এখন স্বাস্থ্য সচেতনতা বেড়েছে। দেশের সকল শ্রেণীর ভোক্তাদের মাঝে  লাল মাংসের পরিবর্তে সাদা মাংস অধিক পছন্দের । কাজেই উৎপাদন থেকে শুরু করে খাবার টেবিল পর্যন্ত খাদ্য নিরাপদভাবে সরবরাহ করতে হবে তাহলেই এধরনের উদ্যোগ কাংখিত সাফল্য বয়ে আনবে।