Thursday, 23 November 2017

 

গোশত তৈরি, বন্টন ও সংরক্ষণ

কৃষিবিদ মোহাইমিনুর রশিদ:কোরবানি মানে ত্যাগ বা উৎসর্গ। যা শুদ্ধতা ও পবিত্রতার প্রতীক। দেশে মূলত গরু, ছাগল, ভেড়া এসব পশুই কোরবানি দেওয়া হয়ে থাকে। পশু কোরবানীর পর গোশত তৈরি, বন্টন ও বিতরণ শেষে দ্রুত সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এজন্য একটি পরিষ্কার সমতল জায়াগা নির্ধারণ করতে হবে। যেখানে গোশতের টুকরা তৈরি করা হবে। এক্ষেত্রে প্রথমে চাঁটাই বিছিয়ে তার উপর ত্রিপল বা কলাপাতা সুন্দর করে বিছিয়ে দিতে হবে।

এরপর চামড়া ছাড়ানোকৃত দেহ হতে বিভিন্ন অঙ্গাদি কেটে এনে ঐ বিছানার ওপর রাখতে হবে। পরে ধারালো দা, বটি এবং চাপাতি ব্যবহার করে যথা সম্ভব দ্রুত গোশতের টুকরা তৈরি করতে হবে। হাড্ডি কাটার জন্য পাটাতন হিসেবে গাছের শক্ত গুড়ি যা বাজারের পাওয়া যায় ব্যবহার করতে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন হাড্ডির সাথে যেন কাঠের টুকরা মিশ্রিত না হয়। গোশত তৈরি সম্পন্ন হলে ধর্মীয় রীতি মোতাবেক বন্টন ও বিতরণ শেষে দ্রুত সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। কোরবানির গোশত বিরতণে পরিবেশ বান্ধব প্যাকেট বা ব্যাগ ব্যবহার করা উচিত।

-লেখক: আঞ্চলিক বেতার কৃষি অফিসার, কৃষি তথ্য সার্ভিস, সিলেট।