Sunday, 23 September 2018

 

এসময়ের খাবার "চিকেন উইথ উইন্টার ভেজিটেবল"

কানিজ ফাতিমা:দেশের প্রায় সব এলাকাতেই শীতের সবজি দিয়ে হাটবাজারগুলো এখন ভরপুর। মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সবজি খেতে সকলকেই উৎসাহিত করা উচিৎ। যদিও বর্তমান প্রজন্ম সবজি সবজি খাওয়ার বদলে জাঙ্ক ফুড খেয়ে শারীরিক স্থুলতা সহ নানা জটিলতায় ভুগছে। তবে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘরে বসেই শীতের সবজি দিয়ে তৈরী করতে পারেন নানা ধরনের উপাদেয় সবজি। আর প্রানিজ-প্রোটিনের ঘাটতি কারনে এর সাথে যোগ করতে পারেন ব্রয়লার মুরগীর মাংস। এ ধরনের খাবার তৈরীতে বেগও পেতে হয় কম; তাছাড়া খাবারগুলি সুষম হওয়ায় এবং নানান ধরনের সবজি যুক্ত থাকায় ভিটামিন ও মিনারেল সরবরাহের মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করবে।

এ ধরনের খাবার তৈরীতে সবজি গুলোকে কাটার পূর্বে ধুয়ে নিতে হবে এবং সবজি গুলোকে আকর্ষনীয় আকারে কেটে নিতে হয়। এরপর ষ্টীম দিয়ে ৭-১০ মিনিট সহযোগে সিদ্ধ করে নিতে হবে। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির বুকের গোশতকে কিউব অথবা জুলিয়ান কাট আকারে কেটে নিতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় আদা বাটা, রসুন বাটা, পুদিনা পাতা বাটা, লেবু রস এবং পরিমাণমতো লবন সহযোগে ২-৩ ঘন্টা ফ্রিজের নরমাল চেম্বারে মেরিনেট করে নিতে হবে।

অত:পর মেরিনেট করা ব্রয়লারের টুকরোগুলো ষ্টীম দিয়ে ৫-৭ মিনিট সিদ্ধ করুন। পরবর্তীতে ফ্রাইংপ্যানে হালকা তেল দিয়ে প্রথমে ষ্টীমকৃত ব্রয়লারের টুকরোগুলো ছেড়ে দিয়ে হালকা নড়াচড়া করুন। এরপর পূর্বে হালকা সিদ্ধ করা রকমারি সবজিগুলো প্যানে ছেড়ে দিয়ে হালকা লবন, সহযোগে নাড়াচাড়া করুন। তবে মনে রাখবেন সবজির টুকরো গুলোর যেন ভেঙ্গে না যায় এবং রং অটুট থাকে। এ সময় গোল-মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দিয়ে নাড়া-চাড়া করতে হবে।

ব্রকলি, ফুলকপি, গাজর, ক্যাপসিকাম এসব সবজি গুলোর রং আকর্ষনীয় থাকায় বাচ্চারা এ ধরনের খাবার খেতে পছন্দ করে। অন্যদিকে এ ধরনের খাবারে পুষ্টির সরবরাহ ভাল থাকায় শরীরকে রোগ প্রতিরোধী করে গড়ে তোলে। খাবারগুলি সুন্দর করে ডাইনিং এ সাজিয়ে বিকেলের নাস্তায় বেশি করে খেলে ভাতের উপর চাপ কম হবে। ফলে স্থুলতাজনিত সমস্যায় যারা ভুগছেন এ শীতে তারা এ ধরনের খাবার বেশি বেশি করে খেলে অনেক ধরনের জটিলতা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন বলে মনে করেন পুষ্টিবিদরা। অন্যদিকে খাবারটি আশের সরবরাহ বেশি থাকায় হজম ক্রিয়াকে তরান্নিত করবে ফলে যারা কোষ্ঠকাঠিন্য ভোগেন তাদের জন্য এটি হতে পারে চমৎকার একটি খাবার।

আসুন শীতে আমরা সকলে মিলে এ ধরনের খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলি। পরিবারের ছোট থেকে বড় সকলে মিলে উপভোগ করি এবং সুন্দর ও সুস্থ্য জীবন গড়ি।