Saturday, 18 November 2017

 

নারিশ প্রিমিয়ার লীগের ৩য় রাউন্ডে ইয়োলো, গ্রীন, অ্যাশ দল জয়ী

মোহাম্মদ জাহিদ:নারিশ পোল্ট্রির আয়োজনে শুরু হয়েছে “নারিশ প্রিমিয়ার লীগ”’২০১৬। রাজধানীর ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্র মাঠে শুক্রবার লীগের ৩য় রাউন্ডে তিনটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ৭:৩০ মিনিটে দিনের প্রথম খেলায় অংশ নেয় নারিশ (ইয়োলো) বনাম নারিশ (রেড) এ খেলায় নারিশ ইয়োলো ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে নারিশ রেড দলকে পরাজিত করে।

খেলার প্রথম দিকে একটু প্রতিদ্বদিতা হলেও শেষ দিকে ইয়োলো একচোটিয়া প্রভাব বিস্তার করে তাদের কাঙ্খিত জয় তুলে নেয়।

খেলার প্রথমমার্ধে ২টি এবং দ্বিতীয়ার্ধে ৩ টি গোল করে বিজয়ীরা। বিজয়ী দলের পক্ষে পল্লব, তারেক আজিজ, শরীফ, মামুন এবং জনি প্রত্যেকেই একটি করে গোল করে। খেলায় ইয়োলো দলের শরিফকে রেফারি আব্দুল মজিদ হলুদ কার্ড দিয়ে সতর্ক করেন।

বিজয়ী দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন পল্লব এবং ম্যানেজার ছিলেন তুহিন। খেলা শেষে প্রিমিয়ার লীগ কমিটি আহব্বায়ক রফিকুল ইসলাম বাবু বিজয়ী দলের শরীফকে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত করেন।


সকাল ৮:৩০ মিনিটে দিনের ২য় খেলাটি অনুষ্ঠিত হয় নারিশ (গ্রীন) বনাম নারিশ (ব্লু) এর মধ্যে। তীব্র প্রতিদ্বন্দিতামূলক এ খেলায় নারিশ গ্রীন ৪-২ গোলে নারিশ ব্লু দলকে পরাজিত করে। এ খেলায় অনিক হ্যাট্ট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন। বিজয়ী দলের অপর গোলটি করেন জাকির। নারিশ ব্লু দলের পক্ষে সালেক ও মঈন  একটি করে গোল করেন।

খেলা শেষে গ্রীন দলের অধিনায়ক শুভ্র দলের বিজয়ে সকল খেলোয়াড়দের কৃতজ্ঞতা জানান।। ম্যাচ রেফারি গ্রীন দলের বাপ্পিকে হলুদ কার্ড দেখিয়ে সতর্ক করে দেন। উপস্থিত মাঠের দর্শক অনিকের খেলায় মুগ্ধ হন এবং খেলা শেষে প্রিমিয়ার লীগ কমিটি আহব্বায়ক রফিকুল ইসলাম বাবু অনিক কে ম্যাচ সেরা নির্বাচিত করেন।



সকাল ৯:৩০ মিনিটে দিনের শেষ খেলায় একচোটিয়া প্রাধান্য বিস্তার করে নারিশ(অ্যাশ)দল ৪-০ গোলের ব্যবধানে নারিশ (অরেঞ্জ) দলকে পরাজিত করে। খেলার শুরুতে অরেঞ্জ দল কিছুটা প্রভাব বিস্তার করলেও ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় গোল থেকে বঞ্চিত হয়। প্রথমার্ধে খেলাটি গোল শূণ্য থাকে। দ্বিতীয়ার্ধে খেলার ১৫ মিনিটের মাথায় অ্যাশ দলের গোলকিপারের দক্ষতায় অরেঞ্জ দল গোল থেকে বঞ্চিত হয়।এর ১ মিনিট পরেই জুয়েল এবং ২ মিনিট পরে বশিরও গোল করতে ব্যর্থ হন।



তবে দ্বিতীয়ার্ধের ১৭ মিনিট এর মাথায় মাজহার অ্যাশ দলের হয়ে প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। এর পর থেকেই অ্যাশ দল অরেঞ্জ দলের উপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন। ২০ মিনিটের মাথায় ইসমাইল এবং ২৩ মি. এর মাথায় সুমন এবং ২৫ মি. এর মাথায় রাজু গোল করে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান।শেষ দিকে অরেঞ্জ দল আক্রমনাত্মক খেলেও পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে মাঠ ছাড়েন।

খেলায় অসদাচরণের দায়ে অরেঞ্জ দলের ওয়াসিম এবয় ্যাাশ দলের মঞ্জুরুলকে হলুদ কার্ড দেখিয়ে সতর্ক দেন ম্যাচ রেফারি।

ম্যাচ রেফারি জালালউদ্দিন রাসেল খেলা পরিচালনা করেন। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন বিজয়ী দলের গোল রক্ষক সন্দিপ।