Monday, 18 December 2017

 

খেলাধুলাকে উৎসাহিত করতে নারিশ সব সময় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে থাকে-নাজমুল আহসান খালেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:খেলাধুলাকে উৎসাহিত করতে নারিশ পোল্ট্রি এন্ড হ্যাচারি সব সময় অগ্রনী ভূমিকা পালন করে থাকে। খেলাধূলা শরীরকে সুস্থ্য রাখার পাশাপাশি মন-মানসিকতারও পরিবর্তন আনে। নারিশ পোল্ট্রির আয়োজনে শুরু হওয়া “নারিশ প্রিমিয়ার লীগ” ফুটবলের ফাইনাল খেলার প্রধান অতিথি নারিশ পোলট্রির ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব নাজমুল আহসান খালেদ এসব কথা বলেন।

জনাব নাজমুল আহসান খালেদ বলেন দিনদিন খোলা মাঠে খেলার সুযোগ কমে যাচ্ছে তারপরও রাজধানীর এ মাঠটিতে এধরনের আয়োজন করতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত এবং কৃতজ্ঞ। এজন্য তিনি আয়োজক কমিটি, ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্রের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের প্রতি নারিশ পোলট্রির পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

শুক্রবার ৬ জানুয়ারী সন্ধ্যা ৬:০০টায় রাজধানীর ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্র মাঠে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল খেলায় নারিশ অরেঞ্জ দল ৩-১ গোলের ব্যবধানে নারিশ ব্লু দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গেীরব অর্জন করে। এর অাগে বিকেল ৪:০০টায় অনুষ্ঠিত তৃতীয় স্থান নির্ধারণী খেলায় নারিশ হোয়াইট ট্রাইব্রেকারে নারিশ গ্রীন দলকে পরাজিত করে তৃতীয় স্থান অর্জন করে।

ফাইনাল খেলার পূর্বে অতিথিবৃন্দ মাঠে উপস্থিত থেকে সকল খেলোয়ারদের সাথে পরিচিত হন। এরপর বেলুন উড়িয়ে ফাইনাল খেলার উদ্বোধন করেন অতিথিবুন্দ।

ফাইনাল খেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর সেচ্ছাসেবক লীগের সেক্রেটারী মো:ফরিদ হাসান ইরান, নারিশ পোলট্রির ডিরেক্টর সাইফুল আরেফিন খালেদ, ডিরেক্টর আবু মো: আবদুল্লাহ্ এবং নারিশ পোলট্রির ডিরেক্টর এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গ্রাউন্ড কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান ও নারিশ প্রিমিয়ার লীগ কমিটির সভাপতি জনাব রফিকুল ইসলাম বাবু।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন নারিশ পোলট্রির কনসালট্যান্ট জনাব এডিএম নূরুল মোস্তফা কায়সার, জনাব হুমায়ুন কবির শিবলী প্রমুখ।

ফাইনাল খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন অরেঞ্জ দলের অধিনায়ক জুয়েলের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন নারিশ পোলট্রির ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব নাজমুল আহসান খালেদ। চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ছাড়াও রানার্সআপ ট্রফি, ফেয়ার প্লে ট্রফি, ম্যান অব দি ম্যাচ, ম্যান অব দি টুর্নামেন্ট, সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ছাড়াও খেলোয়ারদের গলায় মেডেল পরিয়ে দেন উপস্থিত অতিথিবৃন্দ।

টুর্নামেন্টে ফেয়ার প্লে ট্রফিটি পায় নারিশ ইয়েলো দল। এছাড়া ফাইনাল খেলায় জুয়েল এবং তৃতীয় স্থান নির্ধারনী খেলায় ম্যান অব দি ম্যাচ হওয়ার গৌরব অর্জন করে নারিশ হোয়াইটের আলমগীর। সারা টুর্নামেন্টে চমকপ্রদ ক্রীড়ানৈপুন্য প্রদর্শন করে ম্যান অব দি টুর্নামেন্ট ছাড়াও সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন অরেঞ্জ দলের অধিনায়ক জুয়েল।

“নারিশ প্রিমিয়ার লীগ”ফুটবল টুর্নামেন্টটি শুরু হয় ২০১৬ সালের ২১ অক্টোবর। টুর্নামেন্টে মোট ৭টি দল অংশগ্রহন করে। এটি সফলভাবে আয়োজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন জনাব মো:শামীম সিদ্দীক, জনাব ফয়সাল আহমেদ, জনাব মো:কামরুল হাসান, জনাব আব্দুল আওয়াল মামুন, জনাব  মো: সালেক প্রমুখ। এছাড়া ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্রের ম্যানেজার জনাব আব্দুল মজিদ টুর্নামেন্টটি সফলভাবে শেষ করতে বিশেষ দায়িত্ব পালন করেন।

ফাইনাল খেলার ধারাভাষ্যের দায়িত্বে ছিলেন জনাব মামুনুর রশীদ। ঢাকার মাঠগুলিতে হারিয়ে যাওয়া ফুটবল খেলা দীর্ঘদিন পর জাঁকজমক পূর্ণ আয়োজনে দেখতে বিকেল থেকেই মাঠে হাজির হয়েছিল কয়েক হাজার দর্শক। ক্ষুদে দর্শক থেকে সব বয়সী দর্শকদের কোলাহলে মনে হচ্ছিল কোনো পেশাদার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ এটি।

কয়েকজন দর্শকদের সাখে আলাপকালে তারা জানান আজকের খেলা দেখে তাদের পুরনো ঐতিহ্যবাহী দলগুলোর খেলার কথা মনে হচ্ছে। কোম্পানীর নিজেদের মধ্যে খেলা হলেও পেশাদারী দলগুলোর মতো করেই খেলেছেন তারা যা ছুটির দিনে তারা খুবই উপভোগ করেছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন এধরনের খেলা যান্ত্রিক জীবনে শরীর ও মন ঠিক রাখতে নিয়মিত আয়োজন করলে সকলেরই উপকার হবে। তারা সকলেই নারিশ পোল্ট্রি এন্ড হ্যাচারির এধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং আগামীতেও কোম্পানিটি আরো বড় পরিসরে আয়োজন করে সকলকে উৎসাহ দিবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।