Sunday, 19 November 2017

 

বস্ত্র পরিদপ্তরের ‘ই-সেবা’ উদ্বোধন করলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক

কৃষি বানিজ্য ডেস্ক:একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের অর্থায়নে বস্ত্র পরিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত “অনলাইন ওয়ান ক্লিক রেজিস্ট্রেশন এন্ড আদার সার্ভিস ডেলিভারি বাই ডিরেক্টরেট অভ্ টেক্সটাইল বাই ডেভলপিং এন ই-সেন্টার নেটওয়ার্ক ইউজিং আইসিটি” প্রকল্পের আওতায় ‘ই-সেবা’ উদ্বোধন করেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক।

২৭ মঙ্গলবার ডিসেম্বর জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) এর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত  এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক ও একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রামের (এট্আুই) এর প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার, বস্ত্র পরিদপ্তরের পরিচালক ইসমাইল হোসেন, তাঁত বোডের চেয়ারম্যান, বিজেএমইএ’র সহসভাপতি মো. নাসির, বিকেএমইএ’র পরিচালক কামাল পাশা, ডিপ্লোমা টেক্সটাইল ইঞ্জি: এর সভাপতি শফিকুর হোসেন, বিজিইপিএমইও’র চেয়ারম্যান কাদির খান, বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মাসউদ আহম্মেদ, বস্ত্র পরিদপ্তরের বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের প্রতিনিধিসহ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, বস্ত্র শিল্পের প্রসার তথা বিশ্বদরবারে বস্ত্র খাতকে আরো জনপ্রিয় ও আকর্ষণীয় করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরার্মশক্রমে ইতোমধ্যে বিভিন্ন  কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।  সরকারের গৃহীত নীতিমালা ও পরিকল্পনাকে কাজে লাগিয়ে বস্ত্রখাতের বাজার সম্প্রসারণ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, পরিবেশ রক্ষা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে ও ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

বস্ত্র পরিদপ্তর (বস্ত্র অধিদপ্তরে উন্নীতকরণ প্রক্রিয়াধীন) বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্প খাতের পোষক কর্তৃপক্ষের ১৮ ধরনের সেবা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল  নথি খোলা, স্থানীয় বিনিয়োগে বস্ত্র শিল্প কারখানা নিবন্ধন, জয়েন্টভেঞ্চার ও ১০০% বৈদেশিক বিনিয়োগে নিবন্ধন, আইআরসি নিয়মিতকরণ, প্রথম এডহক আইআরসি সুপারিশ, দ্বিতীয় এডহক আইআরসি সুপারিশ, মেশিন ছাড়করণের সুপারিশ, আইপি জারীর সুপারিশ, ইউপি সুপারিশ, মালিকানা পরিবর্তন, কারখানার ঠিকানার স্থায়ী পরিবর্তন, কারখানার ঠিকানার সাময়িক পরিবর্তন, বিনিয়োগ সংক্রান্ত সংশোধন, বিদেশি নাগরিকদের ওয়ার্ক পারমিট সুপারিশ, ডেফার্ড পেমেন্ট সুপারিশ প্রদান, বৈদেশিক ঋণের সুপারিশ, ইনডেমনিটি বন্ড অবমুক্তকরণের সুপারিশ, কম্পোজিট সার্টিফিকেট। আজ থেকে এসকল সেবা অন-লাইনে প্রদান করবে বস্ত্র পরিদপ্তর। এ সকল সেবা অনলাইনে দেয়ার জন্য ‘‘ই-সেবা’’ নামে একটি অনলাইনভিত্তিক এপ্লিকেশন তৈরি করা হয়েছে।

এই এপ্লিকেশন চালু হলে শিল্প উদ্যোক্তাদের পোষক কর্তৃপক্ষের সেবার জন্য দপ্তরে না এসে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে যে কোন স্থান হতে আবেদন করতে পারবেন ও যে কোনো ডকুমেন্ট অনলাইনে আপলোড করতে পারবেন। সেবা ফিও অনলাইনে দিতে পারবেন, ব্যাংকে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। এছাড়া আবেদন ট্রাকিং করার ব্যবস্থাও আছে। এটি চালু হলে দেশের প্রায় নয় হাজার তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্প কারখানার উদ্যোক্তাগণ এ দপ্তর হতে সেবা অনলাইনে নিতে পারবেন। ফলে সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের সময়, অর্থ ও ভ্রমণ ব্যয় কমবে।
-পিআইডি’র সৌজন্যে