Saturday, 16 December 2017

 

চিংড়ির পরেই পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে

পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া মাছের আধুনিকায়ন-বিষয়ক কর্মশালা
বাকৃবি প্রতিনিধি:গতকাল সোমবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া মাছের আধুনিকায়ন-বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ডেনিস ইন্টারন্যাশনাল ডেভোলপমেন্ট এজেন্সির (ড্যানিডা) অর্থায়নে সকাল ১১টায় কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সভাকক্ষে ওই  কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান গবেষক অধ্যাপক আখতারুজ্জামন খানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র চক্রবর্তী, বিশেষ অতিথি কৃষি অর্থনীতি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আব্দুল কুদ্দুস ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

গবেষকেরা বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ৪ লাখ টন পাঙ্গাস ও ৩ লাখ টন তেলাপিয়া উৎপাদন হচ্ছে। দেশের বাইরে মাছ দুটির প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এ সময় শিক্ষক ও গবেষকেরা প্রজাতি দুটির সম্প্রসারণ ও উৎপাদনে এই প্রকল্পের আওতায় ১২জন শিক্ষার্থীকে স্নাতকত্তোর ও ৬ জন শিক্ষার্থীকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করা হবে।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশে পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া মাছের প্রজাতি দুটির ব্যাপ্তি ঘটার সময় এদের চাহিদা ও মূল্য অনেক বেশি ছিল। কিন্তু ক্রমেই এদের বাজার আজ ধসের মুখে। প্রজাতি দুটি কম খরচে অধিক উৎপাদন, পুষ্টিমান ঠিক রাখলে চাহিদা ফের বৃদ্ধি পাবে। চিংড়ির পর পরেই প্রজাতি দুটির বিদেশে রপ্তানির যথেষ্ট সম্ভবনা রয়েছে।