Thursday, 14 December 2017

 

সারের যোগান বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার-শিল্পমন্ত্রী

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম, ডেস্ক: বর্তমান সরকার আমদানির পরিবর্তে নিজস্ব উৎপাদন থেকে সারের যোগান বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে। ৪ হাজার ৮৪৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে নির্মিত শাহজালাল সার কারখানা থেকে বছরে ৫ লাখ মেট্রিক টনেরও বেশি সার উৎপাদন হচ্ছে। পাশাপাশি নরসিংদীর পলাশে বিদ্যমান পুরাতন দু’টি ইউরিয়া সার কারখানা ভেঙে এর স্থলে একই পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করে দ্বিগুণ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি অত্যাধুনিক জ্বালানি সাশ্রয়ী ইউরিয়া সার কারখানা নির্মাণ করা হবে। ভবিষ্যতে নিরবিচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১৩টি নতুন বাফার গোডাউন নির্মাণ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

১৫ এপ্রিল শনিবার ঢাকায় বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন (বিএফএ)-এর ২৩তম সাধারণ সভা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী সার ডিলারদের ব্যবসাকে একটি পবিত্র ব্যবসা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ ব্যবসার সাথে মানবসেবার বিষয়টি জড়িত। দেশের ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য সংস্থানে সার ডিলাররা পবিত্র দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০১৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের নামে এবং ২০১৫ সালে বিএনপি-জামাতের মাসব্যাপী আগুন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মধ্যেও চাষি পর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ করায় ডিলারদের ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে বিএফএ’র নেতারা জানান, বর্তমানে বিসিআইসি নিযুক্ত ৫ হাজার ৩০০ ডিলার ও ৪৫ হাজার খুচরা বিক্রেতা দেশব্যাপী সারের সুষ্ঠু সরবরাহ ও বিতরণের দায়িত্ব পালন করছে। এর ফলে দেশে বিভিন্ন ফসলের বাম্পার ফলন হচ্ছে। তারা মিল গেট ও বাফার গুদামে ইউরিয়া সারের একই মূল্য নির্ধারণ এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে শূন্য কোটা ছাড়া অংশ বিশেষের জন্য নতুন ডিলার নিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্ত বহাল রাখায় সরকারের প্রশংসা করেন। তারা এলাকাভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী মোটা ও চিকন দানার ইউরিয়া সার সরবরাহ এবং বর্তমানে চাষি পর্যায়ে সারের চাহিদা কম থাকায় মার্চ থেকে জুন, ২০১৭ পর্যন্ত সার উত্তোলন ঐচ্ছিক করার দাবি জানান।  
-পিআইডি’র সৌজন্যে