Wednesday, 15 August 2018

 

খাদ্যশস্য সংরক্ষণে ৩টি স্টিল রাইস সাইলো নির্মাণ করা হবে-খাদ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:দেশে এ মুহুর্তে সরকারি গোডাউন ও সাইলোতে খাদ্যশস্যের মোট ধারণ ক্ষমতা আছে প্রায় ২১ লাখ মেট্রিক টন। এ বছরের শেষে তা দাঁড়াবে প্রায় ২২ লাখ মেট্রিক টনের কাছাকাছি। ২০২০ সাল নাগাদ তা বেড়ে প্রায় ২৭ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন এবং ২০২৫ সাল নাগাদ ধারণ ক্ষমতা প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টনে দাঁড়াবে।

৪ এপ্রিল সোনারগা হোটেলে খাদ্য অধিদপ্তর এবং তমা কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার প্রকল্পের আওতায় মধুপুর, ময়মনসিংহ এবং আশুগঞ্জে ৩টি স্টিল রাইস সাইলো নির্মাণের চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, অতীতের চেয়ে এখন খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়েছে। বছরে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং প্রায় ২৬ লাখ মেট্রিক টন গম উৎপাদন হয়। এসব খাদ্যশস্য সংরক্ষণ করার জন্য আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার বাড়াতে হবে।

আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার প্রকল্পের আওতায় ৩টি প্যাকেজে ৮টি সাইলো নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ৬টি চালের এবং ২টি গমের সাইলো। প্যাকেজের আওতায় ময়মনসিং, মধুপুর ও আশুগঞ্জে ১টি করে মোট ৩টি সাইলো নির্মাণ করা হবে।

বন্যা, সাইক্লোন ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি (২-৩ বছর) কৌশলগত মজুত সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় স্টিল সাইলো নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। এই স্টিল সাইলোর অন্যতম সুবিধা হচ্ছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আন্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ৩ বছর পর্যন্ত খাদ্যশস্য সংরক্ষণ করা যায়। এছাড়া রাসায়নিক ও কীটনাশক ছাড়াই খাদ্যশস্য সংরক্ষণ করায় পুষ্টিমান ও গুণগত মান বজায় থাকে।

খাদ্য সচিব শাহবুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে খাদ্য অধিদপ্তরের পক্ষে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গাজীউর রহমান এবং তমা কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান ভূইয়া চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ দারা, খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আরিফুর রহমান অপুসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য অধিদপ্তর এবং তমা কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।-পিআইডি